32 C
Kolkata
June 1, 2026
Uncategorized

প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’-এ বাংলার হিমসাগর, দেশের আমচাষিদের ভূয়সী প্রশংসা মোদীর

দিল্লি — প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর ১৩৪তম পর্বে বিশেষ গুরুত্ব পেল দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিখ্যাত আম। গরমের মরশুমে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ফলকে ঘিরেই এ বারের অনুষ্ঠানের বড় অংশ জুড়ে ছিল আলোচনা। সেই তালিকায় বিশেষভাবে উঠে এল বাংলার গর্ব হিমসাগর আমের নামও।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গরম পড়লেই দেশের ঘরে ঘরে আম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে যায়। ভারতের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব আম রয়েছে, যার স্বাদ, গন্ধ এবং বৈশিষ্ট্য একে অপরের থেকে আলাদা। এই বৈচিত্র্যই ভারতের কৃষি ও খাদ্য-সংস্কৃতির অন্যতম শক্তি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দেশের বিভিন্ন রাজ্যের বিখ্যাত আমের প্রসঙ্গ টেনে নরেন্দ্র মোদী মহারাষ্ট্রের হাপুস ও আলফানসো, গুজরাতের কেশর, উত্তরপ্রদেশের দসেহরি এবং কাশীর ল্যাংড়া আমের কথা উল্লেখ করেন। ল্যাংড়া আম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পেকে গেলেও এই আম অনেক সময় সবুজ রং ধরে রাখে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে বিহারের জারদালু ও চৌসা আমের নামও। পাশাপাশি মালদহের বিখ্যাত মালদা আমের উল্লেখ করেন তিনি। দক্ষিণ ভারতের বঙ্গনাপল্লি, তোতাপুরি, নীলম এবং মলগোভা আমের কথাও শোনান শ্রোতাদের।

এই দীর্ঘ তালিকায় বিশেষ জায়গা করে নেয় পশ্চিমবঙ্গের সুমিষ্ট হিমসাগর আম। স্বাদ, সুগন্ধ এবং গুণমানের জন্য দেশের অন্যতম জনপ্রিয় আম হিসেবে পরিচিত হিমসাগরের নাম উল্লেখ করে বাংলার আমচাষের ঐতিহ্যকেও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের আমচাষিদের প্রশংসা করে নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভারতীয় কৃষকরাই দেশের আমের ঐতিহ্যকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছেন। তাঁদের পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার ফলেই ভারতীয় আম আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, শুধু একটি ফল নয়, ভারতের কৃষি, সংস্কৃতি এবং আঞ্চলিক বৈচিত্র্যের প্রতীক হিসেবেই আমকে তুলে ধরা হয়েছে। আর সেই আলোচনায় বাংলার হিমসাগর স্থান পাওয়ায় রাজ্যের আমপ্রেমী এবং চাষিদের মধ্যে খুশির আবহ তৈরি হয়েছে।

Related posts

Leave a Comment