ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ফের কলকাতা ডার্বি দেখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইস্টবেঙ্গল ইতিমধ্যেই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে। বুধবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এসসি দিল্লিকে নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য রাখার পর টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে লাল-হলুদ।
তবে ইস্টবেঙ্গলের এই জয় একেবারেই স্বস্তিদায়ক ছিল না। ম্যাচের শুরু থেকে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও সেগুলি কাজে লাগাতে পারেনি লাল-হলুদ। আক্রমণে বেশ কিছুটা অগোছালো দেখিয়েছে দলকে। নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিটে গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। শেষ পর্যন্ত সেখানেই বাজিমাত করে ইস্টবেঙ্গল।

ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ কে হবে, তার উত্তর মিলবে বৃহস্পতিবার। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি। শিলংয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে ম্যাচ।
মোহনবাগানের সামনে অবশ্য কাজটা সহজ নয়। নর্থইস্ট ইউনাইটেড গত দু’বারের ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন এবং টানা চতুর্থ বার সেমিফাইনালে উঠেছে। কোয়ার্টার ফাইনালে শিলং লাজংকে ৫-২ গোলে হারানোর ম্যাচে মরক্কোর ফরোয়ার্ড আলাউদ্দিন আজারাই হ্যাটট্রিক করেছিলেন। ফলে তাঁকে আটকানোই মোহনবাগানের রক্ষণের অন্যতম বড় পরীক্ষা হতে চলেছে।
অন্য দিকে, মোহনবাগানও কোয়ার্টার ফাইনালে জামশেদপুর এফসিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে। গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত রক্ষণভাগের নজির তৈরি করলেও নর্থইস্টের আক্রমণভাগের বিরুদ্ধে সেই রক্ষণ কতটা কার্যকর হয়, সেটাই দেখার। সাহাল আবদুল সামাদ, জেমি ম্যাকলারেন, লিস্টন কোলাসোদের সামনে তাই বড় দায়িত্ব।

ইস্টবেঙ্গল ইতিমধ্যেই ফাইনালের অপেক্ষায়। ২৩ অগস্ট যুবভারতীতে হবে ডুরান্ড কাপের ফাইনাল। মোহনবাগান জিতলে ফের এক বার কলকাতা ডার্বি হবে ডুরান্ডের মঞ্চে। আর নর্থইস্ট জিতলে ইস্টবেঙ্গলের সামনে থাকবে অন্য প্রতিপক্ষ।
ইস্টবেঙ্গলের কাছে এই ফাইনাল আরও বিশেষ। ২০০৪ সালের পর ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে উঠেছে তারা। ২২ বছর আগে শেষ বার ফাইনালে মোহনবাগানকে হারিয়েই ট্রফি জিতেছিল লাল-হলুদ। এ বার কি আবারও ফাইনালে ডার্বি ফিরবে? সেই উত্তর মিলবে আজ রাতেই।
