নয়াদিল্লি ৩০ জুলাই — আগামী ১ অগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে জনগণনার প্রথম ধাপ। এই পর্যায়ে শুধু বাড়ির সংখ্যা নয়, একটি বাড়িতে কতগুলি পৃথক পরিবার বা ‘হাঁড়ি’ রয়েছে, তাও নথিভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি বাড়ির বিভিন্ন পরিকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবেন গণনাকারীরা।
জনগণনা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ধাপে প্রতিটি পরিবারের বাসস্থান এবং মৌলিক পরিষেবা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। বাড়িতে রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ, সাইকেল, মোটরবাইক বা অন্যান্য যানবাহন রয়েছে কি না, তার তথ্যও দিতে হবে বাসিন্দাদের।এ ছাড়াও বাড়িতে রান্নার গ্যাস, বিদ্যুৎ সংযোগ, পানীয় জলের ব্যবস্থা এবং পাকা শৌচালয় রয়েছে কি না,য়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
বুধবার কলকাতায় জনগণনা দফতরের এক আধিকারিক জানান, প্রথম ধাপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ‘হাউসহোল্ড লিস্টিং’ বা পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একই বাড়ির মধ্যে যদি দুই ভাই আলাদা সংসার করেন, অথবা বাবা-মায়ের সঙ্গে ছেলে পৃথকভাবে রান্নাবান্না ও সংসার পরিচালনা করেন, তবে প্রতিটি পৃথক ‘হাঁড়ি’কে আলাদা পরিবার হিসেবে গণ্য করা হবে।অর্থাৎ এ
কই ছাদের নিচে একাধিক পরিবার থাকলেও, প্রত্যেকটি পৃথক সংসারকে জনগণনায় আলাদা ইউনিট হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে। প্রশাসনের দাবি, এতে দেশের প্রকৃত পরিবারসংখ্যা এবং জনসংখ্যার কাঠামো সম্পর্কে আরও নির্ভুল তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে।
জনগণনা কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে ভবিষ্যতের নীতি নির্ধারণ ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এই তথ্য কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়।
