তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বৃহস্পতিবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে দলেরই সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন। অভিযোগ, সংসদের ভিতরে তাঁকে একাধিক বার মৌখিকভাবে অপমান করেছেন কল্যাণ এবং মহিলা সাংসদদের প্রতি ‘মিসোজিনিস্ট’ আচরণ করেছেন। যদিও সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সম্প্রতি তৃণমূলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তার পরেই এই অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
লোকসভার স্পিকারকে লেখা চিঠিতে কাকলি অভিযোগ করেন, “লোকসভার ভিতরে এআইটিসি সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার আমাকে মৌখিকভাবে অপমান করেছেন। শুধু আমার সঙ্গেই নয়, একাধিক মহিলা সাংসদের প্রতিও তাঁর আচরণ অবমাননাকর। এই ধরনের মিসোজিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”
তিনি স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের অনুমতি চেয়ে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই দলের অন্দরে মতবিরোধ ও অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। সেই আবহেই কাকলির এই অভিযোগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
যদিও অভিযোগ পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, “সংসদের ভিতরে কিছু ঘটলে সঙ্গে সঙ্গেই স্পিকারকে জানানো উচিত। এত দিন পরে কেন অভিযোগ করা হচ্ছে, সেটাই প্রশ্ন। কে কী বলেছে, কখন বলেছে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হচ্ছে, এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য কাজ করছে।”
কাকলি ঘোষ দস্তিদার এখনও বারাসতের তৃণমূল সাংসদ পদে বহাল রয়েছেন।
