পূর্ব বর্ধমান, ৫ নভেম্বর: দুর্গাপুজোর সৃজনশীলতা, প্রতিমার শিল্পনৈপুণ্য, মণ্ডপসজ্জা এবং সামাজিক সচেতনতামূলক উদ্যোগকে স্বীকৃতি জানিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার ১২টি পুজো কমিটিকে ‘দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬’ (Devi Durga Samman 2026) প্রদান করল রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর (West Bengal Information and Culture Department)। বর্ধমান টাউন হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চারটি বিভাগে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রতিটি বিভাগে পুরস্কার মূল্য ৫০ হাজার টাকা। দুর্গোৎসবকে শুধু ধর্মীয় উদ্যাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিল্প, সংস্কৃতি ও সামাজিক দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ হিসেবেও এই সম্মান গুরুত্বপূর্ণ।
বন্দেমাতরম গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। চোরবাগান দুর্গাপুজো মণ্ডপে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা শাসক শ্বেতা আগরওয়াল (Shweta Agarwal), জেলা পুলিশ সুপার পুষ্পা, রায়নার বিধায়ক সুভাষ পাত্র, পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়-সহ প্রশাসনিক আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা।
সেরা পুজো (Best Puja) বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে বর্ধমানের সবুজ সংঘ, পূর্বস্থলী এক ব্লকের চাঁদপুর শ্রীরামপুর বারোয়ারি দুর্গাপুজো কমিটি এবং কাটোয়ার জাজিগ্রাম নবোদয় সংঘ। সেরা প্রতিমা (Best Idol) বিভাগে সম্মান পেয়েছে জামালপুরের কলুপুকুর মা দুর্গাপুজো কমিটি, কাটোয়ার ননগর সবুজ সংঘ এবং কালনার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী স্মৃতি সংঘ।
সেরা মণ্ডপ (Best Pandal) বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে সন্তোষপুর নেতাজি ক্লাব, মেমারির সারদাপল্লি অরবিন্দপল্লি রিক্রিয়েশন ক্লাব এবং অগ্রগামী সংঘ। সেরা সমাজ সচেতনতা (Social Awareness) বিভাগে সম্মানিত হয়েছে বর্ধমানের বিবেকানন্দ সেবক সংঘ, রায়না এক ব্লকের শ্যামসুন্দর গ্রামীণ সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি এবং অগ্নিবীণা ক্লাব।
জেলা শাসক জানান, এ বছর জেলায় পাঁচ হাজারের বেশি পুজো কমিটি দুর্গাপুজোর অনুদান পেয়েছে। তাঁর মতে, ‘দেবী দুর্গা সম্মান’ পুজো উদ্যোক্তাদের আরও সৃজনশীল, পরিবেশবান্ধব ও সমাজসচেতনতামূলক উদ্যোগে উৎসাহিত করবে। অনুষ্ঠানে অমৃতা ভট্টাচার্যের পরিচালনায় রবি কিরণের শিল্পীরা সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সদীপা সরকার।
পূর্ব বর্ধমান, ৫ নভেম্বর— দুর্গাপুজোর সৃজনশীলতা, প্রতিমার শিল্পনৈপুণ্য, মণ্ডপসজ্জা এবং সামাজিক সচেতনতামূলক উদ্যোগকে স্বীকৃতি জানিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার ১২টি পুজো কমিটিকে ‘দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬’ (Devi Durga Samman 2026) প্রদান করল রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর (West Bengal Information and Culture Department)। বর্ধমান টাউন হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চারটি বিভাগে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রতিটি বিভাগে পুরস্কার মূল্য ৫০ হাজার টাকা। দুর্গোৎসবকে শুধু ধর্মীয় উদ্যাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিল্প, সংস্কৃতি ও সামাজিক দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ হিসেবেও এই সম্মান গুরুত্বপূর্ণ।
বন্দেমাতরম গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। চোরবাগান দুর্গাপুজো মণ্ডপে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা শাসক শ্বেতা আগরওয়াল (Shweta Agarwal), জেলা পুলিশ সুপার পুষ্পা, রায়নার বিধায়ক সুভাষ পাত্র, পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়-সহ প্রশাসনিক আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা।
সেরা পুজো (Best Puja) বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে বর্ধমানের সবুজ সংঘ, পূর্বস্থলী এক ব্লকের চাঁদপুর শ্রীরামপুর বারোয়ারি দুর্গাপুজো কমিটি এবং কাটোয়ার জাজিগ্রাম নবোদয় সংঘ। সেরা প্রতিমা (Best Idol) বিভাগে সম্মান পেয়েছে জামালপুরের কলুপুকুর মা দুর্গাপুজো কমিটি, কাটোয়ার ননগর সবুজ সংঘ এবং কালনার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী স্মৃতি সংঘ।
সেরা মণ্ডপ (Best Pandal) বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে সন্তোষপুর নেতাজি ক্লাব, মেমারির সারদাপল্লি অরবিন্দপল্লি রিক্রিয়েশন ক্লাব এবং অগ্রগামী সংঘ। সেরা সমাজ সচেতনতা (Social Awareness) বিভাগে সম্মানিত হয়েছে বর্ধমানের বিবেকানন্দ সেবক সংঘ, রায়না এক ব্লকের শ্যামসুন্দর গ্রামীণ সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি এবং অগ্নিবীণা ক্লাব।
জেলা শাসক জানান, এ বছর জেলায় পাঁচ হাজারের বেশি পুজো কমিটি দুর্গাপুজোর অনুদান পেয়েছে। তাঁর মতে, ‘দেবী দুর্গা সম্মান’ পুজো উদ্যোক্তাদের আরও সৃজনশীল, পরিবেশবান্ধব ও সমাজসচেতনতামূলক উদ্যোগে উৎসাহিত করবে। অনুষ্ঠানে অমৃতা ভট্টাচার্যের পরিচালনায় রবি কিরণের শিল্পীরা সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সদীপা সরকার।
