গান্ধীনগরে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কেয়ার ট্র্যাকার (PM-FCT) এবং হেলথ পাসপোর্ট প্রকল্পের সূচনা অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে চালু হওয়া ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) ব্যবস্থার ফলে সরকারি প্রকল্পের প্রতিটি টাকা এখন সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাচ্ছে। তাঁর কথায়, আগের মতো মাঝপথে আর কোনও অর্থ হারিয়ে যায় না।
ভাষণে শাহ বলেন, এক সময় দেশের এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেছিলেন, দিল্লি থেকে এক টাকা পাঠালে মাত্র ১৫ পয়সা গরিব মানুষের হাতে পৌঁছত, বাকি ৮৫ পয়সা মাঝপথেই হারিয়ে যেত। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে।
তিনি বলেন, “আজ আমি চোখে চোখ রেখে বলতে পারি, প্রধানমন্ত্রী মোদী দিল্লি থেকে এক টাকা পাঠালে সেই পুরো এক টাকাই সরাসরি গরিব মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে।”
অমিত শাহের দাবি, ডিবিটি ব্যবস্থার মাধ্যমে কোনও মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরকারি অনুদান সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছনোর ফলে দরিদ্র কল্যাণমূলক প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেড়েছে।
পূর্ব উত্তরপ্রদেশ সফরের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে গিয়ে তিনি চরম দারিদ্র্যের বাস্তব চিত্র দেখেছিলেন। বহু মানুষের মাথার উপর ছাদ ছিল না, বিদ্যুৎ, শৌচালয়, পানীয় জল কিংবা স্বাস্থ্য পরিষেবারও অভাব ছিল। অসুস্থ সন্তানদের চিকিৎসার পরিবর্তে অনেক মা প্রার্থনা করা ছাড়া আর কোনও উপায় পেতেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিন উদ্বোধন হওয়া PM Family Care Tracker প্রকল্পের মাধ্যমে গর্ভাবস্থা থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
