দুর্গাপুজোর আবহে শ্রোতাদের মন জয় করতে হাজির জনপ্রিয় বলিউড গায়ক শানের নতুন পুজোর গান। গানটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই সঙ্গীতপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। গানটির পরিবেশনা এবং দৃশ্যায়ন ঘিরে শ্রোতাদের ইতিবাচক সাড়া উৎসবের মরসুমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
গানটির দৃশ্য পরিচালনা করেছেন মুম্বইয়ের চলচ্চিত্র পরিচালক সাগর দাস। তাঁর কর্মজীবনের সূচনা শাহরুখ খান অভিনীত ‘চাক দে! ইন্ডিয়া’ ছবিতে নৃত্য পরিচালনার কাজের মাধ্যমে। পরবর্তী সময়ে মুম্বই ও চেন্নাইয়ের একাধিক ছবির গানের দৃশ্য পরিচালনা করে বিনোদন জগতে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। নতুন এই গানের দৃশ্যায়নেও তাঁর অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের মত।

গানটির নির্বাহী প্রযোজনার দায়িত্বে ছিলেন সূর্যকান্ত। পরিচালক অনিল কুরিয়াকোসের তত্ত্বাবধানে তাঁর পেশাগত জীবনের সূচনা। অন্য দিকে, দিল্লি ও মুম্বইয়ে প্রযোজনার কাজের সঙ্গে যুক্ত কপিল শর্মা এই প্রকল্পের প্রযোজক। গোটা কাজের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সূর্যকান্তকে।
প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে গত কয়েক দিন ধরে মুম্বইয়ে একাধিক বৈঠক করেন সূর্যকান্ত। শুটিংয়ের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে শিল্পী নির্বাচন—সব ক্ষেত্রেই তিনি সমন্বয়ের দায়িত্ব সামলান। গানের দৃশ্যায়নে টালিগঞ্জের অভিনেত্রী সোহিনী গুহ রায় এবং অভিনেতা ঋষভ বসুকে নির্বাচন করা হয়। দু’জনেই নিজেদের চরিত্রে দক্ষতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা।
ব্যস্ত পেশাগত সময়সূচি সত্ত্বেও সোহিনী ও ঋষভ কাজটি যত্ন সহকারে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছেন। পর্দায় তাঁদের পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সাবলীল অভিনয় গানের দৃশ্যায়নকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। পরিচালক সাগর দাস, প্রযোজক কপিল শর্মা এবং নির্বাহী প্রযোজক সূর্যকান্ত—তিন জনেই দুই অভিনেতার কাজের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের পেশাদার মনোভাব ও দায়িত্বশীলতার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন তাঁরা।
আগে মুম্বইয়ে একাধিক জাতীয় স্তরের বিজ্ঞাপন প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করেছেন কপিল শর্মা ও সূর্যকান্ত। সেই অভিজ্ঞতা নতুন সঙ্গীত প্রকল্পটির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সাহায্য করেছে। শানের নতুন পুজোর গান তাঁদের কাজের তালিকায় আরও একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।

এ বার কলকাতাকে কেন্দ্র করে নতুন কয়েকটি প্রকল্পের প্রস্তুতি নিচ্ছেন পরিচালক সাগর দাস ও নির্বাহী প্রযোজক সূর্যকান্ত। আগামী দিনে বিনোদন জগতের বিভিন্ন ক্ষেত্রের শিল্পীদের একত্র করে নতুন কাজের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। মুম্বইয়ের বিনোদন জগতের অভিজ্ঞতা এবং বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের প্রতিভাকে একসূত্রে বাঁধার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও সৃজনশীল সহযোগিতার পথ খুলে দিতে পারে।
