জসপ্রীত বুমরার অনুপস্থিতিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভারতের বোলিং আক্রমণে স্পিনের উপর বাড়তি নির্ভরতা দেখা যেতে পারে। গলের স্পিন সহায়ক পরিবেশে তিন স্পিনার নিয়ে নামার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না ভারতের বোলিং কোচ মর্নে মর্কেল। ১৫ অগস্ট থেকে গলে শুরু হচ্ছে ভারত-শ্রীলঙ্কা দুই টেস্টের সিরিজ।
মরা না থাকায় ভারতের পেস আক্রমণে অভিজ্ঞতার ঘাটতি স্পষ্ট। মহম্মদ সিরাজ ছাড়া প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের সাতটি টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অন্য দিকে গুরনূর ব্রার এবং আকিব নবি এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায়। তবে এই পেস আক্রমণের উপর আস্থা রয়েছে মর্কেলের। তাঁর মতে, দেশের হয়ে খেলার আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন দলের পেসাররা।

গলের পিচ ঐতিহ্যগত ভাবে স্পিনারদের সাহায্য করে। ম্যাচ যত গড়াবে, উইকেট ধীরগতির বোলারদের জন্য আরও কার্যকর হয়ে উঠতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কুলদীপ যাদব, রবীন্দ্র জাডেজা এবং মানব সুতারের মতো তিন বাঁহাতি স্পিনারকে একসঙ্গে খেলানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মর্কেল জানিয়েছেন, তিন স্পিনার খেলানো নিয়ে তাঁদের কোনও বড় আপত্তি নেই। তাঁর মতে, কুলদীপ আক্রমণাত্মক বোলার, জাডেজার রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও নিয়ন্ত্রণ, আর প্রত্যেক স্পিনারের বোলিংয়ের ধরন আলাদা। ফলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অধিনায়ক শুভমন গিল তাঁদের ব্যবহার করতে পারবেন।
ভারতের হাতে আরও একজন অফস্পিনার রয়েছেন—অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা সারাংশ জৈন। ফলে গলের উইকেট দেখে একাধিক স্পিনার নিয়ে আক্রমণ সাজানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে ভারতের সামনে।

তবে শুধু স্পিন নয়, পেসারদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে বলে মনে করছেন মর্কেল। তাঁর মতে, কুকাবুরা বল পুরনো হয়ে নরম হয়ে গেলে পেসারদের কার্যকারিতা কমতে পারে। ফলে ধারাবাহিক ভাবে চাপ তৈরি করতে বোলিং পার্টনারশিপ গড়ে তোলাই হবে গুরুত্বপূর্ণ।
মর্কেলের কথায়, শ্রীলঙ্কার গরম ও আর্দ্র পরিবেশে বল দ্রুত নরম হয়ে যাওয়াও ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তাই দীর্ঘ সময় ধরে একই তীব্রতা বজায় রেখে বোলিং করার উপর জোর দিচ্ছে ভারতীয় দল।
