আস্তানা | ২০ জুন: ২০২৬ সালেও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নারী স্বাধীনতা ও সম্মতির প্রশ্নে লড়াই অব্যাহত। মধ্য এশিয়ার দেশ কাজাখস্তান ও কিরঘিজস্তানের কিছু গ্রামীণ এলাকায় এখনও ‘কনে অপহরণ’ বা Bride Kidnapping-এর মতো বিতর্কিত প্রথার অস্তিত্ব রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
স্থানীয় ভাষায় এই প্রথাকে বলা হয় ‘আলিপ কাশু’, যার অর্থ ‘পালিয়ে নিয়ে যাওয়া’। ইতিহাস বলছে, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ে পারস্পরিক সম্মতিতে পরিবারের অনুমোদন নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করতেন। মূলত বিয়ের খরচ কমানোর উদ্দেশ্যেই এই রীতি চালু হয়েছিল।
তবে সময়ের সঙ্গে প্রথাটির চরিত্র বদলে যায়। অভিযোগ, বর্তমানে কিছু এলাকায় মেয়েদের সম্মতি ছাড়াই অপহরণ করে বিয়েতে বাধ্য করার ঘটনা ঘটে। রাস্তা থেকে বা জনসমাগমের স্থান থেকে মেয়েদের তুলে এনে ছেলের পরিবার বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রথার বিরুদ্ধে সরব। তাঁদের মতে, এটি নারীর স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। যদিও সরকারিভাবে এই ধরনের জোরপূর্বক বিয়ে আইনত দণ্ডনীয়, তবুও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সামাজিক রীতি ও পারিবারিক চাপে অনেক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না।
নারীর সম্মতি ছাড়া বিয়ে রুখতে মধ্য এশিয়ার একাধিক দেশে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি জোরালো হয়েছে।
