বাংলা ভাগের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে এ বছর ২০ জুন ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ সাড়ম্বরে উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। নবান্নের তরফে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে বিস্তারিত নির্দেশিকা। রাজ্যের সমস্ত জেলা সদর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি দফতরে দিনটি পালন করা হবে বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে।
১৯৪৭ সালের ২০ জুন অখণ্ড বাংলার বিধানসভায় বাংলা ভাগের বিল পাশ হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক দিনটিকেই ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৩ সাল থেকে সীমিত পরিসরে এই দিবস পালন হলেও, ২০২৬ সালে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর এবার তা বৃহত্তর আকারে উদ্যাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি জেলায় জেলাশাসককে চেয়ারম্যান করে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিতে পুলিশ সুপার, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা থাকবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, প্রদর্শনী এবং ঐতিহ্য বিষয়ক কর্মসূচির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বাংলা ভাগের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হবে।
ছাত্রছাত্রীদের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে পাঠাগার, সংগ্রহশালা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষামূলক পরিদর্শনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে পরিচিত করানো সম্ভব হবে।
সূত্রের খবর, ২০ অগস্টের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের কর্মসূচিতেও তাঁর উপস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে।
