নতুন দিল্লি: স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার প্রাচীর থেকে জাতির উদ্দেশে প্রায় ৭৫ মিনিট ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত চার বছরের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণগুলির মধ্যে এ দিনের ভাষণই ছিল তুলনামূলক ভাবে সংক্ষিপ্ত। তবে সময়ের দিক থেকে সংক্ষিপ্ত হলেও বার্তার দিক থেকে ছিল বিস্তৃত। দেশের আগামী দিনের অর্থনীতি, প্রযুক্তি, কৃষি, প্রতিরক্ষা, পরিবেশ, যোগাযোগ এবং তরুণ প্রজন্ম— একাধিক ক্ষেত্রকে সামনে রেখে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে নতুন কর্মসূচি ও সংকল্পের কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী।
এ বারের ভাষণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেল দেশের যুবশক্তি। প্রধানমন্ত্রী বার বার বোঝানোর চেষ্টা করেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ‘বিকশিত ভারত’-এ পরিণত করার লক্ষ্য পূরণে তরুণ প্রজন্মই হবে প্রধান চালিকাশক্তি। একই সঙ্গে উৎপাদন, কৃষি, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, প্রতিরক্ষা, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি এবং মেধা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে তিনি ঘোষণা করেন ‘শক্তির সপ্তধারা’।
আগামী পাঁচ-সাত বছরকে বিশেষ গুরুত্ব
লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে। আগামী এক-চতুর্থাংশ ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বক্তব্য, এখন আর থেমে থাকার সময় নেই। নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে দ্রুত গতিতে এগোতে হবে।
মোদীর কথায়, গত কয়েক দশকে যে কাজগুলি সম্পূর্ণ হয়নি, আগামী পাঁচ-সাত বছরের মধ্যে সেগুলি শেষ করার লক্ষ্য নিতে হবে। সেই জন্য দেশের কর্মসংস্কৃতি, চিন্তাভাবনা এবং কাজের গতি— তিন ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আনার প্রয়োজন রয়েছে।
এই লক্ষ্য পূরণে যুবসমাজের পাশাপাশি নারী, কৃষক এবং শ্রমিকদেরও একসঙ্গে নিয়ে এগোনোর কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
‘শক্তির সপ্তধারা’ কী?
দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে সামনে রেখে ‘শক্তির সপ্তধারা’র কথা ঘোষণা করেন মোদী। তাঁর মতে, এই ক্ষেত্রগুলিতে সংস্কার ও দ্রুত উন্নয়ন ঘটাতে পারলে ভারত ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে আরও দ্রুত এগিয়ে যেতে পারবে।
১. উৎপাদন শক্তি
প্রথমেই দেশের উৎপাদন ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, আগামী দিনে ভারতের অর্থনৈতিক বিকাশের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হবে উৎপাদন শিল্প।
শুধু যন্ত্রাংশ তৈরি নয়, সম্পূর্ণ পণ্য উৎপাদনের উপরেও জোর দেন তিনি। ভারতীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার জন্য গুণমান, উৎপাদনের পরিমাণ এবং খরচ— তিনটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
পণ্যের প্যাকেজিং থেকে শুরু করে উৎপাদনের নির্ভুলতা— প্রতিটি বিষয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।
২. কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ
দ্বিতীয় স্তম্ভ হিসেবে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণকে সামনে আনেন মোদী। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় কৃষকদের সামনে এখন শুধু দেশের বাজার নয়, আন্তর্জাতিক বাজারও উন্মুক্ত।
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে তৈরি হওয়া বাজারের সুযোগ ভারতীয় কৃষকদের কাজে লাগাতে হবে বলে জানান তিনি। দেশের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য, ফল, মশলা এবং সব্জিকে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডে পরিণত করার উপর বিশেষ জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।
কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।
৩. প্রযুক্তি ও নতুন উদ্ভাবন
তৃতীয় ক্ষেত্রে প্রযুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। ডেটা সেন্টার, রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন প্রযুক্তির প্রসারের কথা বলেন তিনি।
ভারতের টেলিকম ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ৬জি পরিষেবা সারা দেশে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যও তুলে ধরেন মোদী।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রযুক্তির পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে ভারতীয় তরুণদের দক্ষ করে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যেই প্রতি বছর দেশের এক কোটি যুবক-যুবতীকে বিশেষ এআই প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।
৪. গতিশক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা
চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে দেশের যোগাযোগ পরিকাঠামোর উন্নয়নের কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থনীতির গতি বাড়াতে উন্নত সড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, রেলপথ এবং বন্দর-কেন্দ্রিক উন্নয়নের উপর জোর দেন তিনি।
মোদীর মতে, দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মানুষ ও পণ্য দ্রুত পৌঁছে দিতে পারলে বাণিজ্য ও শিল্পের গতি আরও বাড়বে। তাই পরিকাঠামো উন্নয়নকে ‘বিকশিত ভারত’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
৫. আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা
পঞ্চম স্তম্ভ হিসেবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের জন্য বিদেশের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজস্ব উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে জানান তিনি।
ড্রোন এবং কাউন্টার-ড্রোন প্রযুক্তির প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে তুলে ধরেন মোদী। তাঁর বক্তব্য, ভারতকে বিশ্বের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বাজারে শুধু ক্রেতা হিসেবে নয়, উৎপাদক ও রফতানিকারক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।
৬. গ্রিন ও ব্লু ইকোনমি
ষষ্ঠ স্তম্ভে পরিবেশবান্ধব এবং সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতির উপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। গ্রিন হাইড্রোজেন, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি এবং শক্তি সঞ্চয় প্রযুক্তিতে ভারতকে বিশ্বের নেতৃত্বের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য তুলে ধরেন তিনি।
এর পাশাপাশি সামুদ্রিক প্রযুক্তি, উপকূলীয় পর্যটন এবং মৎস্যচাষের মতো ক্ষেত্রগুলিকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, পরিবেশ রক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে এই ক্ষেত্রগুলিতে।
৭. মেধা ও কৃষ্টি শক্তি
সপ্তম স্তম্ভ হিসেবে দেশের ‘সফ্ট পাওয়ার’-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন মোদী। যোগব্যায়াম, হস্তশিল্প, চলচ্চিত্র, গেমিং, অ্যানিমেশন এবং ডিজিটাল কনটেন্টের মতো ক্ষেত্রকে ভারতের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক শক্তির অংশ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভারতীয় সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি এই ক্ষেত্রগুলিকে কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক বিকাশের নতুন মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী।
মাওবাদ নিয়ে কড়া বার্তা
ভাষণের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে ছিল মাওবাদ ও নকশালবাদ প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মাওবাদ দেশের বিভিন্ন অংশে হিংসা ও অশান্তির পরিবেশ তৈরি করেছে এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটিয়েছে।
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর দেশকে মাওবাদমুক্ত করার সংকল্পের কথা ফের স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। নিরাপত্তাকর্মীদের আত্মত্যাগের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
মাওবাদী হিংসার পাশাপাশি তিনি ‘মাওবাদী মনোভাবাপন্ন’ ব্যক্তিদের নিয়েও সতর্ক করেন। তাঁদের ‘দিমাগি নকশাল’ বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁরা সমাজে অশান্তি তৈরি এবং দেশের উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করতে চাইছেন।
এই ধরনের ভাবধারার বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করার পাশাপাশি তাঁদের দেশের উন্নয়নের কাজে যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
তরুণদের উপর বিশেষ আস্থা
এ বারের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে তরুণ প্রজন্মের প্রসঙ্গ বার বার ফিরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ভারতের তরুণদের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে।
২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে তরুণদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, দেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং উন্নয়নের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তরুণ প্রজন্মই সবচেয়ে বড় শক্তি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য যুবসমাজকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
জনগণনা থেকে এআই— ভবিষ্যতের রূপরেখা
ভাষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর, ডিজিটাল প্রযুক্তি, জনগণনা, উৎপাদন এবং প্রতিরক্ষা— একাধিক ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মোদী।
এর মাধ্যমে আগামী কয়েক বছরে প্রযুক্তিনির্ভর এবং আত্মনির্ভর ভারতের যে রূপরেখা তাঁর সরকার তুলে ধরতে চাইছে, তার একটি সামগ্রিক ছবি দেওয়ার চেষ্টা করেন প্রধানমন্ত্রী।
ভাষণের মাঝেই বিতর্ক
তবে এ দিনের ভাষণ বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকেনি। ভাষণের কয়েকটি পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীকে সাময়িক ভাবে থেমে যেতে দেখা যায়। একটি পর্যায়ে জৈবঅর্থনীতি নিয়ে পরিসংখ্যান দেওয়ার সময় তাঁর বক্তব্যে সাময়িক বিরতি আসে।
বৈদ্যুতিন গাড়ি বিক্রির পরিসংখ্যান উল্লেখ করার সময়ও প্রথমে একটি সংখ্যা বলার পর তিনি তা সংশোধন করেন। এই অংশগুলির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন।
কংগ্রেস নেতা পবন খেরা এবং আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরীবাল সমাজমাধ্যমে ভিডিয়ো পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর আত্মবিশ্বাস এবং বক্তৃতার প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম্’
এ দিনের অনুষ্ঠানে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনও দেখা যায়। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় পরিবেশিত হয় ‘বন্দে মাতরম্’। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে এই গান প্রথম বার পরিবেশিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর পরিবেশিত হয় জাতীয় সঙ্গীত।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান। সেখান থেকে লালকেল্লায় পৌঁছে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তিনি।
শেষ বার্তা: সংকল্প থেকে বাস্তবায়ন
ভাষণের শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সম্মিলিত ভাবে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর ছিল— আগামী কয়েক বছর ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সময়কে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতি, প্রযুক্তি, কৃষি, প্রতিরক্ষা এবং মানবসম্পদে দ্রুত পরিবর্তন আনতে হবে।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী যে বার্তা দিতে চেয়েছেন, তার কেন্দ্রবিন্দু ছিল— ভারতের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে যুবশক্তির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
‘শক্তির সপ্তধারা’র মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রকে এক সুতোয় বাঁধার চেষ্টা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি মাওবাদ ও ‘দিমাগি নকশাল’-এর বিরুদ্ধে সতর্কতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ২০৪৭-এর ‘বিকশিত ভারত’— এই তিনটি বিষয়ও তাঁর ভাষণে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
দেশবাসীর উদ্দেশে তাঁর আহ্বান ছিল, স্বপ্নকে শুধু স্বপ্ন হিসেবে না রেখে তাকে সংকল্পে পরিণত করতে হবে। সেই সংকল্পের মাধ্যমেই আগামী দিনের ভারতকে আরও শক্তিশালী ও উন্নত করে তোলার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।
previous post
