ইন্ডিয়ান সুগার অ্যান্ড বায়ো-এনার্জি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (ISMA)-এর ডিরেক্টর জেনারেল দীপক বল্লানি জানিয়েছেন, আসন্ন উৎসবের মরসুমে দেশে পর্যাপ্ত চিনি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ও চিনি শিল্প একসঙ্গে কাজ করছে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য চিনির দাম যুক্তিসঙ্গত রাখার লক্ষ্যেও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
IANS-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বল্লানি বলেন, দুর্গাপুজো, দশেরা ও দীপাবলির মতো উৎসবকে ঘিরে চিনির চাহিদা বাড়বে। তাই এই সময়ে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা এবং দাম স্থিতিশীল রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বর্তমানে চিনির সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে। খুচরো বাজারে চিনির দাম ইতিমধ্যেই কমতে শুরু করেছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহে তা আরও কমতে পারে।

বল্লানির মতে, মিল পর্যায়ে দাম কমার পর তার প্রভাব খুচরো বাজারে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে। উৎপাদক থেকে পাইকারি ও খুচরো বিক্রেতা পর্যন্ত সরবরাহ শৃঙ্খলের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে কম দামের প্রভাব সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পৌঁছায়।
ISMA-এর ডিরেক্টর জেনারেল জানিয়েছেন, এক্স-মিল চিনির দাম ইতিমধ্যেই প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ কমেছে। বর্তমানে সারা দেশে গড় এক্স-মিল দাম প্রতি কুইন্টালে প্রায় ৪,৪৫০ টাকা।
তাঁর বক্তব্য, মিল পর্যায়ে দামের এই পতনের প্রভাব ধীরে ধীরে খুচরো বাজারেও পড়বে। ফলে উৎসবের মরসুমে চাহিদা বাড়লেও সাধারণ মানুষের জন্য চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার সুযোগ রয়েছে।
