দিল্লি — দেশের দীর্ঘতম সময়ের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর ঐতিহাসিক মাইলফলক উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টানা ১২ বছরের নেতৃত্ব পূর্তি উপলক্ষে তিনি কিষাণগঞ্জের পিঞ্জরাপোল গোশালায় গোসেবা করেন এবং মন্দিরে বিশেষ পুজো ও প্রার্থনায় অংশ নেন। পরে সেখানে সুন্দরকাণ্ড পাঠেরও আয়োজন করা হয়।
প্রার্থনা শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের উন্নয়নের জন্য প্রার্থনা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী টানা ৪,৩৯৯ দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড অতিক্রম করেছেন। এর ফলে তিনি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন নজির গড়েছেন।
সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় রেখা গুপ্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীর সেবা, নিষ্ঠা এবং কর্মসংস্কৃতি দেশের পরিবর্তনের এক নতুন অধ্যায় রচনা করেছে। তাঁর মতে, নরেন্দ্র মোদী রাজনীতিকে শুধুমাত্র ক্ষমতার মাধ্যম হিসেবে না দেখে জনসেবার অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।,
রেখা গুপ্তা আরও বলেন, স্বচ্ছ ভারত অভিযান থেকে শুরু করে ডিজিটাল বিপ্লব— দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণই আজ নতুন ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই জনবিশ্বাসই ২০৪৭ সালের উন্নত ভারতের লক্ষ্যপূরণের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এক শুভেচ্ছাপত্রেও নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, এই অভিনন্দন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত নয়, বরং দিল্লির প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে মা, বোন ও কন্যাদের মনের অনুভূতির প্রতিফলন।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ ,m,,, রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, দিল্লির প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদীর স্নেহ, সংবেদনশীলতা এবং উন্নয়নের অঙ্গীকার কখনও বদলায়নি। তাঁর নেতৃত্বে রাজধানীতে বিশ্বমানের পরিকাঠামো, উন্নত নাগরিক পরিষেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির নতুন গতি এসেছে।
বিশেষ করে নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং ক্ষমতায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে রেখা গুপ্তা বলেন, এই পদক্ষেপগুলি লক্ষ লক্ষ মা, বোন এবং কন্যার জীবনে আত্মবিশ্বাস ও সম্মানের নতুন শক্তি জুগিয়েছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘতম নির্বাচিত মেয়াদ পূর্তি বিজেপি এবং এনডিএ শিবিরের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত। সেই উপলক্ষেই দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
