33 C
Kolkata
March 25, 2026
দেশ

বিশ্ব চ্যালেঞ্জে কার্যকর সমাধান দিচ্ছে ভারতের নেতৃত্ব: লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা


লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা বৃহস্পতিবার বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের ফলে ভারত আজ বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের নেতৃত্ব আজ বৈশ্বিক নানা চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে কার্যকর ও দৃঢ় সমাধান তুলে ধরছে এবং দিশা, স্থিতিশীলতা ও অনুপ্রেরণার জন্য বিশ্ব ভারতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।

সংসদ ভবনের ঐতিহাসিক সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলির স্পিকার ও সভাপতিদের ২৮তম সম্মেলন (CSPOC)-এ ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।ভারতের সংসদীয় যাত্রার সাত দশকেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে লোকসভা স্পিকার বলেন, জনগণকেন্দ্রিক নীতি, কল্যাণমূলক আইন এবং নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচনী ব্যবস্থার মাধ্যমে ভারত ধারাবাহিকভাবে তার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও মজবুত করেছে।

এই প্রক্রিয়ার ফলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের অন্তর্ভুক্তি বেড়েছে এবং গণতন্ত্রের ওপর জনগণের আস্থা আরও গভীর হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে সংসদের যাত্রাপথে ভারত মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে নীতি ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।সম্মেলনের গুরুত্ব তুলে ধরে ওম বিড়লা বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে—যাকে প্রায়ই ‘গণতন্ত্রের জননী’ বলা হয়—এই সম্মেলনের আয়োজন গণতান্ত্রিক সংলাপ, সহযোগিতা ও অভিন্ন মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করার যৌথ অঙ্গীকারের প্রতীক।

তাঁর মতে, CSPOC একটি অনন্য মঞ্চ, যেখানে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলি সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সেরা অভ্যাস, নতুন ধারণা ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারে।তিনি সমাজ ও শাসনব্যবস্থায় দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রসঙ্গও তোলেন এবং বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও সামাজিক মাধ্যম গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির দক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়িয়েছে। তবে একই সঙ্গে এর অপব্যবহার থেকে ভুয়ো তথ্য, সাইবার অপরাধ ও সামাজিক মেরুকরণের মতো গুরুতর সমস্যাও তৈরি হচ্ছে বলে তিনি সতর্ক করেন।

লোকসভা স্পিকার বলেন, এই চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলায় আইনসভাগুলির সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে এবং এ বিষয়ে গম্ভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে উপযুক্ত সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি। তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সামাজিক মাধ্যম ব্যবস্থার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন।

Related posts

Leave a Comment