মায়ামি— প্রথমে সতীর্থের গোলে অবদান, তার পর নিজেই জয়সূচক গোল। লিয়োনেল মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউ ইংল্যান্ড রেভলিউশনকে ২-১ গোলে হারাল ইন্টার মায়ামি। এই জয়ের ফলে আগামী মরসুমে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপে খেলা নিশ্চিত করল তারা। একই সঙ্গে মেজর লিগ সকারের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল মায়ামি। নিয়মিত মরসুমে তাদের আর একটি ম্যাচ বাকি।
প্রথমার্ধে অবশ্য মায়ামিকে যথেষ্ট চাপে রেখেছিল নিউ ইংল্যান্ড। আক্রমণে একের পর এক সুযোগ তৈরি করে তারা। প্রথম ৪৫ মিনিটে ছ’টি শট নেওয়ার পাশাপাশি পাঁচটি কর্নারও আদায় করে নেয় নিউ ইংল্যান্ড। একাধিক বার মায়ামির রক্ষণে চাপ তৈরি হলেও বিরতির আগে কোনও দলই গোলের মুখ খুলতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যায় নিউ ইংল্যান্ড। ইলায় ফেনগোল্ডের সঙ্গে পাস খেলে গোল করেন ড্যানিয়েল গাজডাগ। পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় মায়ামি। ৬৯ মিনিটে মেসির বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাকহেড থেকে বল পেয়ে গোল করে সমতা ফেরান জার্মান বারটেরাম।

সমতা ফেরানোর পর জয়ের লক্ষ্যে আক্রমণ আরও জোরদার করে মায়ামি। কোচ ক্রিশ্চিয়ান গঞ্জালেজ মাঠে নামান লুই সুয়ারেজকে। তার পরেই ব্যবধান গড়ে দেন মেসি। বাঁ পায়ের শটে নিউ ইংল্যান্ডের জালে বল জড়িয়ে দলকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখেই মাঠ ছাড়ে মায়ামি।
ম্যাচ শেষে মেসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন কোচ গঞ্জালেজ। তাঁর মতে, মেসি যে বিশ্বের সেরা ফুটবলার, তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। সতীর্থদের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া এবং সম্পর্কও অসাধারণ। মেসির বর্তমান পারফরম্যান্সের কথা তুলে ধরে কোচ বলেন, তাঁর মতে সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলারের পুরস্কার এবং বালঁ দ্যর— দুটোই মেসির পাওয়া উচিত। আগামী দিনে এই দুই সম্মানই মেসির হাতে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন: লুই সুয়ারেজ এই ম্যাচে প্রথম একাদশেই ছিলেন। মেসির জয়সূচক গোলটি আসে ৮৩ মিনিটে।
