27.8 C
Kolkata
July 5, 2026
দেশ

‘এক পেড মা কে নাম’ অভিযানে বৃক্ষরোপণ, দিল্লিতে নেতৃত্ব দিলেন এনডিএমসি-র ভাইস চেয়ারম্যান

পরিবেশ সংরক্ষণকে জনআন্দোলনে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে শুরু হওয়া ‘এক পেড মা কে নাম’ অভিযানের অংশ হিসেবে রবিবার দিল্লির বি. কে. দত্ত কলোনির বিডি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করল নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (এনডিএমসি)। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন এনডিএমসি-র ভাইস চেয়ারম্যান কুলজিৎ সিং চাহাল।

বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি ‘গুড গভর্ন্যান্স অ্যাট ইয়োর ডোরস্টেপ’ উদ্যোগের আওতায় স্থানীয় আবাসিক কল্যাণ সমিতি (RWA) এবং বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন চাহাল। এলাকার নাগরিক সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশও দেন তিনি|

কুলজিৎ সিং চাহাল জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে শুরু হওয়া ‘এক পেড মা কে নাম’ অভিযানের এটি টানা ৩১তম রবিবারের কর্মসূচি। এই উদ্যোগের লক্ষ্য পরিবেশ রক্ষাকে সাধারণ মানুষের আবেগ ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে যুক্ত করে একটি গণআন্দোলনে পরিণত করা। তিনি বলেন, সাপ্তাহিক কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, দূতাবাস এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এনডিএমসি বৃহৎ পরিসরেও বৃক্ষরোপণ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। সেই গাছের নিয়মিত পরিচর্যা, জল দেওয়া এবং সংরক্ষণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের লাগানো চারার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চাহাল জানান, এনডিএমসি একটি বছরব্যাপী ‘গ্রিন ক্যালেন্ডার’ তৈরি করেছে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি রবিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। উদ্যান, স্বাস্থ্য, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, স্যানিটেশন, রাস্তা, জল সরবরাহ, নিকাশি ও বিদ্যুৎ দফতর যৌথভাবে গাছগুলির পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন আবাসিক কল্যাণ সমিতি, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বহু স্থানীয় বাসিন্দা নিজেদের মায়ের নামে গাছ লাগান। অংশগ্রহণকারীরা জানান, এই উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে আবেগের এক সুন্দর বন্ধন তৈরি করেছে এবং সমাজকে প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার বার্তা দিচ্ছে।

কর্মসূচি শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা এনডিএমসি কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরেন। কুলজিৎ সিং চাহাল সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে ঘটনাস্থলেই আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন। তাঁর মতে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, উন্নত নাগরিক পরিকাঠামো এবং মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণই ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ গঠনের অন্যতম ভিত্তি।

Related posts

Leave a Comment