কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)-এর আগে প্রকাশিত এক্সিট পোল (Exit Poll)-এ টুডেজ চানক্য (Today’s Chanakya) রাজ্যে বিজেপি (Bharatiya Janata Party)-র স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতার পূর্বাভাস দিয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি প্রায় ১৯২টি আসন (plus-minus 11) পেতে পারে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)-এর আসন সংখ্যা প্রায় ১০০ (plus-minus 11) হতে পারে বলে অনুমান।
বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে এই এক্সিট পোলকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একটি সমীক্ষা সংস্থা তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, এ বার নির্বাচনে বিজেপি স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে, যা বাস্তব হলে রাজ্যের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে।
সমীক্ষা অনুযায়ী, ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি প্রায় ১৯২টি আসন পেতে পারে, যদিও এই সংখ্যায় কিছুটা ওঠানামা হতে পারে। অন্যদিকে, শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের আসন সংখ্যা প্রায় ১০০-র আশপাশে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে।
এই পূর্বাভাস আরও ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির উপস্থিতি এই নির্বাচনে অত্যন্ত সীমিত থাকতে পারে। কংগ্রেস ও বামপন্থী জোট মিলিয়ে তাদের আসন সংখ্যা প্রায় শূন্য থেকে খুব কমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
ভোটের শতাংশের হিসেবেও বিজেপি এগিয়ে থাকতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে। সমীক্ষা বলছে, বিজেপির ভোটের হার প্রায় ৪৮ শতাংশের কাছাকাছি থাকতে পারে, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটের হার প্রায় ৩৮ শতাংশ হতে পারে। অন্য দলগুলির সম্মিলিত ভোটের হার প্রায় ১৪ শতাংশ বলে অনুমান।
তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, সব এক্সিট পোল একই ছবি দেখাচ্ছে না। অনেক সমীক্ষায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে এই পূর্বাভাস কতটা বাস্তবের সঙ্গে মেলে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
বিশেষ করে এই সমীক্ষাটি আলাদা করে নজর কাড়ছে কারণ এটি স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথা বলছে, যেখানে অন্য অনেক সংস্থা প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সমানে সমান বলেই দেখিয়েছে।
উল্লেখ্য, এ বার রাজ্যে দুই দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটপর্ব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার পর এখন রাজনৈতিক দলগুলির নজর ফল ঘোষণার দিকে। ফলাফল ঘোষণার দিনই পরিষ্কার হবে, এই সমস্ত পূর্বাভাস কতটা সঠিক।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এক্সিট পোল সাধারণ মানুষের মনোভাবের একটি ইঙ্গিত দিলেও, চূড়ান্ত ফলাফলই আসল চিত্র তুলে ধরে। তাই সব পক্ষই এখন অপেক্ষা করছে ভোট গণনার দিনের জন্য।
