31 C
Kolkata
October 21, 2026
টিভি-ও-সিনেমা

সিঁদুরখেলায় মল্লিকবাড়িতে উমাকে বিদায়, বিষাদের সুরে কী বললেন কোয়েল?

সংবাদ কলকাতা: চারদিনের আনন্দ শেষে বিদায়ের পালা। সিঁদুর মাখিয়ে, মিষ্টিমুখ করিয়ে ঘরের মেয়েকে কৈলাসে ফেরানোর বিষাদের সুরেই কাটল বিজয়া দশমী। কলকাতার সাবেকি পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম ভবানীপুরের মল্লিকবাড়ির পুজোয় প্রতিবারের মতো এবারও ছিল সেলিব্রেশন ও আবেগের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে দেবীকে বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি সিঁদুরখেলায় মেতে ওঠেন বাড়ির মহিলারা। আর এই পুরো আচার-অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা মল্লিকবাড়ির মেয়ে কোয়েল মল্লিক।


প্রথা ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এ বছরও দশমীর সকালে একেবারে সাবেকি লুকে ধরা দেন কোয়েল। লাল পাড়ের সাদা শাড়ি, মানানসই লাল ব্লাউজ, খোঁপায় চুল বাঁধা এবং ছিমছাম সোনার গয়নায় তাঁর সনাতনী রূপ নজর কেড়েছে সকলের। স্বামী নিসপাল সিংহ রানে, দুই সন্তান কবীর ও কাব্যা এবং বাবা রঞ্জিত মল্লিক সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি পূজো আচার নিষ্ঠাভরে পালন করেছেন তিনি। দেবীকে সিঁদুর পরানোর পাশাপাশি পান-সুপারি ও মিষ্টিমুখ করিয়ে বরণপর্ব সম্পন্ন হয়, যার পরে মল্লিকবাড়ির অন্দরে শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী সিঁদুরখেলা।



তবে দশমী মানেই যে মনখারাপের সুর, তা অস্বীকার করেননি কোয়েলও। পুজো শেষের বিষাদকে কাটিয়ে ভক্তদের উদ্দেশে সামাজিক মাধ্যমে তিনি বার্তা দিয়ে বলেন, “আজ যদিও মনখারাপের পালা, কিন্তু নিজেদের সান্ত্বনা দিয়ে বলব— আসছে বছর আবার হবে! সকলকে শুভ বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা।” উল্লেখ্য, সপরিবারে এই পুজোর কদিন ব্যস্ততার মধ্যে কাটালেও শিকড়ের টানে প্রতিবারই কাজের জগত থেকে দূরে এসে পারিবারিক এই আনন্দে শামিল হন কোয়েল। পাশাপাশি, নবমীর সন্ধ্যায় এই পুজো মণ্ডপে এসে প্রতিমা দর্শন করেন এবং মল্লিকবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সবমিলিয়ে ঢাকের বাদ্যি আর সিঁদুর মাখা মুখে হাসিকান্নার মধ্য দিয়েই সমাপ্ত হলো মল্লিকবাড়ির দুর্গাপূজার অধ্যায়।

Related posts

Leave a Comment