সংবাদ কলকাতা: অযোধ্যার রাম মন্দির ট্রাস্টের প্রথম পূর্ণকালীন কার্যনির্বাহী আধিকারিক বা সিইও হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল ধীরেন্দ্র মিশ্রকে নির্বাচিত করা হয়েছে। ভারতীয় বায়ুসেনায় এয়ার মার্শাল পদে দায়িত্ব পালনের পর অবসর নেওয়া মিশ্র বিপুল সংখ্যক আবেদনকারীর মধ্যে থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য নির্বাচিত হন। সূত্রের খবর, সিইও পদের জন্য মোট ৫৫৮৯টি আবেদন জমা পড়েছিল।
রাম মন্দির ট্রাস্টের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাকে আরও পেশাদার ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যেই পূর্ণকালীন সিইও নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিইও-র দায়িত্বের মধ্যে থাকবে ট্রাস্টের কাজের ধরন ও পরিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রশাসনিক পদ্ধতি তৈরি করা এবং প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা।
কই সঙ্গে ট্রাস্টে নতুন সদস্য হিসেবেও কয়েকজনকে মনোনীত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহেশ ভাগচন্দকা, অযোধ্যার প্রাক্তন অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল মদন মোহন পান্ডে এবং নির্মলা যাদব।

চলতি বছরের গোড়ায় মন্দিরের দানপাত্রের অর্থ ও অলঙ্কার তছরুপের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ওই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। বিতর্কের আবহেই ট্রাস্টের প্রশাসনে পেশাদার ব্যবস্থাপনা ও আরও বেশি স্বচ্ছতা আনার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে।
রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র এর আগে মন্দির প্রকল্পের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় একজন পূর্ণকালীন সিইও-র প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। তাঁর মতে, এত বড় ও গুরুত্বপূর্ণ মন্দির প্রকল্প পরিচালনার ক্ষেত্রে পেশাদার প্রশাসনিক কাঠামো অত্যন্ত জরুরি।
ট্রাস্টের বৈঠকে সভাপতি মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস, স্বামী কমলনয়ন দাস, অন্তর্বর্তীকালীন সাধারণ সম্পাদক ড. কৃষ্ণ মোহন, ট্রাস্টি মহন্ত দীনেন্দ্র দাস এবং কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরি-সহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকেই সিইও নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
তবে নতুন সিইও এবং ট্রাস্টের সদস্যদের দায়িত্ব, বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
