কলকাতা — ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কোনওরকম শৈথিল্য বরদাস্ত নয়, স্পষ্ট বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। সক্রিয় অপরাধীদের তালিকায় নাম না থাকায় কসবা থানার ওসি-কে নিলম্বিত করার নির্দেশ দিল কমিশন।
অভিযোগ, সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার-এর নাম সক্রিয় অপরাধীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই নিয়েই প্রশ্ন তোলে কমিশন এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে।
ভোটের আগে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশকে পলাতক এবং ঘোষিত অপরাধীদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রত্যেক থানার ওসি-দের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
কমিশনের নির্দেশ ছিল, জামিন অযোগ্য পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং পলাতক অপরাধীদের গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ অভিযান চালাতে হবে। প্রয়োজন হলে লুকআউট নোটিস জারি করার কথাও বলা হয়েছিল।
এছাড়া প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় অশান্তিপ্রবণ অঞ্চল চিহ্নিত করা এবং আগের নির্বাচনে জড়িত দুষ্কৃতীদের তালিকা তৈরির নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
এই সমস্ত নির্দেশ সত্ত্বেও কসবা থানায় তা যথাযথভাবে পালন করা হয়নি বলেই অভিযোগ। সেই কারণেই কড়া পদক্ষেপ হিসেবে ওসি-কে নিলম্বিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রবীন্দ্র সরোবরের একটি ঘটনায় নাম জড়ায় সোনা পাপ্পুর। এখনও তাঁকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল টাকা ও নথি উদ্ধার করেছে তদন্তকারী সংস্থা।
তৃণমূলের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ রাখতে কমিশনের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।
