২৮ ফেব্রুয়ারি | ঢাকা :বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর দেশের নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বিচারব্যবস্থায় জনআস্থা ফিরিয়ে আনা। প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman-এর নেতৃত্বে গঠিত এই সরকারকে ঘিরে যেমন মানুষের প্রত্যাশা তুঙ্গে, তেমনই বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হচ্ছে।
আইন বিশেষজ্ঞ ও প্রশাসনিক মহলের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, গত কয়েক বছরে বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকার প্রশ্নে মানুষের আস্থা কমেছে। ফলে নতুন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে বিচারব্যবস্থাকে আবার বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা।
বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতীতে প্রণীত কিছু আইনের প্রয়োগ নিয়ে ব্যাপক গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার অভিযোগ উঠেছিল। এর ফলে বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে সংশয় তৈরি হয়েছে। তাই এখন প্রয়োজন সেই আইনগুলির পুনর্মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিচারপতি নিয়োগ এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিচারাধীন বিষয়ে রাজনৈতিক মন্তব্য বা তদন্তকারী সংস্থার উপর চাপ প্রয়োগ বিচারব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা আরও কমিয়ে দেয়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, শুধুমাত্র আইন পরিবর্তন করলেই আস্থা ফেরানো সম্ভব নয়। প্রয়োজন প্রশাসনিক সততা, স্বচ্ছতা এবং প্রতিটি মামলায় নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ। মানুষ যখন দেখবেন বিচারব্যবস্থা রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং ন্যায় ও আইনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তখনই আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।
