24 C
Kolkata
March 21, 2026
দেশ

সাম্ভলের জনসংখ্যা রিপোর্টে ‘ঘাজওয়া-এ-হিন্দ’ এজেন্ডা চাপানোর চেষ্টা: বিজেপি

উত্তরপ্রদেশের সাম্ভল দাঙ্গা নিয়ে বিচার বিভাগীয় কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের পর বিজেপি বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেছে যে, এই জনসংখ্যাগত পরিবর্তন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয় বরং একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। দলটির দাবি, এটি আসলে ‘ঘাজওয়া-এ-হিন্দ’ এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট চেষ্টা

বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র অজয় আলোক বলেন, “সাম্ভল একা নয় — দেশের কমপক্ষে ২০০টি জায়গায় একই ঘটনা ঘটছে, যেখানে গণতন্ত্রকে নিশানা করা হচ্ছে, হিন্দুদের সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, মানুষদের উৎখাত করা হচ্ছে এবং পরিকল্পিতভাবে ‘ঘাজওয়া-এ-হিন্দ’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। এটা একেবারেই ইচ্ছাকৃত ও লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ।”বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট, ২০২৫) অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার অরোরার নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচার বিভাগীয় কমিশন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে সাম্ভল দাঙ্গার ৪৫০ পৃষ্ঠার রিপোর্ট জমা দেয়।

কমিশনের অন্য দুই সদস্য ছিলেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার অরবিন্দ কুমার জৈন এবং প্রাক্তন আইএএস কর্মকর্তা অমিত মোহন প্রসাদ।রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গত কয়েক দশকে সাম্ভলে জনসংখ্যার বড় পরিবর্তন হয়েছে। হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর শাহী জামা মসজিদের জরিপ চলাকালে সংঘর্ষে চারজন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হন।বিজেপি সাংসদ দিনেশ শর্মা বলেন, “রিপোর্টে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

কেন হিন্দুদের বারবার অভিবাসনে বাধ্য করা হয়েছে? কেন একাধিক দাঙ্গা ঘটেছে? কেন ধর্মীয় স্থান ধ্বংস হয়েছে, মানুষ নিহত হয়েছে এবং নারীদের ওপর অত্যাচার হয়েছে? এই উত্তরগুলো খুঁজে বের করা সরকারের দায়িত্ব।”তবে সমাজবাদী পার্টির নেতা এস টি হাসান পাল্টা দাবি করেন, জনসংখ্যা পরিবর্তনের কারণ সবসময় ভয় বা দাঙ্গা নয়। তার মতে, “মানুষ প্রায়ই জীবিকার জন্য স্থান পরিবর্তন করে। অনেকেই ভালো সুযোগের খোঁজে দিল্লি, মুম্বাই বা বড় শহরে চলে যায়। এটাই এক প্রধান কারণ।”

Related posts

Leave a Comment