February 13, 2026
Uncategorized

বিশ্ব রেডিও দিবসে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, রেডিওর সম্ভাবনা নিজে অনুভব করেছি বললেন মোদি

বিশ্ব রেডিও দিবস উপলক্ষে শুক্রবার রেডিওকে ভৌগোলিক সীমা, ভাষা ও প্রজন্মের ব্যবধান অতিক্রম করে মানুষকে যুক্ত রাখা এক নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ বছরের থিম ‘রেডিও অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স: এআই একটি সরঞ্জাম, কণ্ঠ নয়’—যেখানে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকার পাশাপাশি মানবিক বিচক্ষণতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে রেডিওকে দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষের জন্য এক ‘চিরন্তন জীবনরেখা’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, গ্রাম হোক বা শহর, রেডিও বহু বছর ধরে মানুষের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হিসেবে সময়োপযোগী তথ্য, প্রতিভার বিকাশ এবং সৃজনশীলতাকে উৎসাহ জুগিয়ে আসছে।

নিজের মাসিক অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি রেডিওর শক্তি ও সম্ভাবনাকে সরাসরি অনুভব করেছেন। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্ব সম্প্রচারিত হবে জানিয়ে তিনি নাগরিকদের মতামত ও পরামর্শ পাঠানোর আহ্বান জানান।

২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে অল ইন্ডিয়া রেডিওর মাধ্যমে শুরু হওয়া ‘মন কি বাত’ গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার ও সাধারণ মানুষের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। দাবি করা হয়, বর্তমানে এর শ্রোতা সংখ্যা ১০০ কোটিরও বেশি।

২০২৬ সালের থিমে বলা হয়েছে, কনটেন্ট প্রোডাকশন, সংরক্ষণ, অনুবাদ ও শ্রোতাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রযুক্তি কখনও মানবিক কণ্ঠ, সম্পাদকীয় বিচারবোধ ও বিশ্বাসযোগ্যতার বিকল্প হতে পারে না—এই বার্তাই সামনে আনা হয়েছে।

Related posts

Leave a Comment