দিল্লি — পশ্চিম এশিয়া (West Asia)-র চলমান সংঘাত (Conflict) ঘিরে আন্তর্জাতিক স্তরে ‘quiet mediation’ নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, India এবং China এই সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এই দুই দেশই United States এবং Iran—দুই পক্ষের সঙ্গেই কূটনৈতিক সম্পর্ক (Diplomatic Relations) বজায় রেখেছে এবং বিশ্বাসযোগ্যতা (Credibility) অর্জন করেছে।
প্রাক্তন নৌসেনা আধিকারিকরা মনে করছেন, ভারত ও চিনের (India-China) অর্থনৈতিক স্বার্থ (Economic Stakes) এই সংঘাতের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে তেল পরিবহন বাধাপ্রাপ্ত হলে তার বড় প্রভাব পড়বে।
ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট Alexander Stubb ইতিমধ্যেই ভারতকে মধ্যস্থতার (Mediation Role) জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর প্রস্তাবিত নৌবাহিনীতে (Naval Coalition) মিত্র দেশগুলির অনীহা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
জার্মানি, ব্রিটেন, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলি সরাসরি সামরিক ভূমিকা নিতে আগ্রহ দেখায়নি। ফলে আমেরিকার কৌশল (US Strategy) নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
এই পরিস্থিতিতে Oman-এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও আলোচনা চলছে, যদিও আগের চেষ্টায় সফল না হওয়ায় তাদের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী S Jaishankar ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক আলোচনা (Diplomatic Talks) চালাচ্ছেন এবং কিছু ইতিবাচক ফলও মিলেছে বলে জানিয়েছেন।
তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)-এর মতে, এই ধরনের আন্তর্জাতিক সংঘাতে শান্তিপূর্ণ সমাধান (Peaceful Resolution) অত্যন্ত জরুরি। উন্নয়ন (Development) এবং স্থিতিশীলতা (Stability)-র জন্য যুদ্ধ নয়, আলোচনার পথই সবচেয়ে কার্যকর।
সব মিলিয়ে, পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাতে India-China mediation কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক রাজনীতির পরবর্তী পদক্ষেপের উপর।
