নিজস্ব প্রতিনিধি, লখনউ — বাংলাদেশ থেকে বাস্তুচ্যুত ৩৩১টি হিন্দু পরিবারকে উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরিতে পুনর্বাসনের দাবি করেছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। তবে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে প্রশ্ন ও বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, বাস্তব সমস্যার সমাধান না করে এই ধরনের বিষয় সামনে এনে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, লখিমপুর খেরির বিভিন্ন তহসিলের চারটি গ্রামে এই পরিবারগুলিকে বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ধৌরাহরা, মোহাম্মদী এবং গোলা তহসিলের একাধিক গ্রামে তাঁদের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
এই পরিবারগুলিকে চাষাবাদের জন্য জমিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। কোথাও পরিবারপিছু তিন একর, কোথাও তারও বেশি জমি দেওয়া হয়েছে। সেই জমিতে কৃষিকাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা।
এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে। কিষাণ সম্মান নিধি, গৃহায়ন প্রকল্প, উজ্জ্বলা প্রকল্প-সহ একাধিক পরিষেবার আওতায় আনা হয়েছে এই পরিবারগুলিকে। রেশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গ্রামীণ পরিকাঠামোর ক্ষেত্রেও উন্নয়ন হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের।
তবে তৃণমূলের একাংশের মতে, এই ধরনের ঘোষণা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার কৌশল। তাঁদের দাবি, দেশের বহু জায়গায় এখনও বাস্তুচ্যুত ও প্রান্তিক মানুষের সমস্যা রয়ে গিয়েছে, সেগুলির সমাধানই হওয়া উচিত অগ্রাধিকার।
এই পরিস্থিতিতে পুনর্বাসন প্রকল্প ঘিরে বাস্তব চিত্র এবং রাজনৈতিক বক্তব্য—দুইয়ের মধ্যে ফারাক কতটা, তা নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।
