20 C
Kolkata
February 3, 2026
দেশ

উত্তরপ্রদেশে ১৫ লক্ষ শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ক্যাশলেস চিকিৎসার অনুমোদন


লখনউ, ২৯ জানুয়ারি – শিক্ষা ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্য বড় স্বস্তির সিদ্ধান্ত নিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। রাজ্যের যোগী আদিত্যনাথ মন্ত্রিসভা প্রায় ১৫ লক্ষ শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী এবং তাঁদের নির্ভরশীল পরিবারগুলিকে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ক্যাশলেস চিকিৎসা সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে বেসিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের অধীন সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং স্বনির্ভর (সেল্ফ-ফাইন্যান্সড) স্কুলগুলির শিক্ষক, সম্মানী শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী এবং তাঁদের নির্ভরশীলরা উপকৃত হবেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অর্থ ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী সুরেশ কুমার খান্না জানান, মোট ৩২টি প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় তোলা হয়েছিল, যার মধ্যে ৩০টিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গত বছর শিক্ষক দিবসে এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই ঘোষণায় আনুষ্ঠানিক সিলমোহর পড়ল। ক্যাশলেস চিকিৎসা সুবিধা রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালেও মিলবে।মাধ্যমিক শিক্ষা মন্ত্রী গুলাব দেবী জানান, এই পর্যায়ে প্রায় ২.৯৭ লক্ষ উপভোক্তা এই সুবিধার আওতায় আসবেন, যার জন্য আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯.২৫ কোটি টাকা।

এছাড়াও বেসিক শিক্ষা পরিষদের অধীন ও স্বীকৃত বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক, শিক্ষামিত্র, বিশেষ শিক্ষক, প্রশিক্ষক, কস্তুরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়ের পূর্ণ ও খণ্ডকালীন শিক্ষক, ওয়ার্ডেন এবং প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনার আওতায় নিযুক্ত রাঁধুনিরাও তাঁদের পরিবারসহ এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হবেন।বেসিক শিক্ষা মন্ত্রী সন্দীপ সিং জানান, বেসিক শিক্ষা পরিষদের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ১১.৯৫ লক্ষ শিক্ষক ও কর্মী এই প্রকল্পে উপকৃত হবেন। এই অংশের জন্য বার্ষিক আর্থিক বরাদ্দ প্রায় ৩৫৮.৬১ কোটি টাকা, যেখানে প্রতি কর্মীর গড় বার্ষিক প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে প্রায় ৩,০০০ টাকা।এই ক্যাশলেস চিকিৎসা পরিষেবা SACHIS-এর আওতাভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে পাওয়া যাবে।

চিকিৎসার খরচ প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা এবং ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির নির্ধারিত হার অনুযায়ী হবে।স্বনির্ভর ও স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ের পর এই সুবিধা দেওয়া হবে। এ জন্য জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক ও বেসিক শিক্ষা আধিকারিকের নেতৃত্বে জেলা স্তরের কমিটি গঠন করা হবে।

Related posts

Leave a Comment