27 C
Kolkata
February 4, 2026
দেশ বিদেশ

ট্রাম্পের শুল্কে ভারতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

আমেরিকার পক্ষ থেকে ভারতের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কার্যকর হওয়ার পর, কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর তাৎক্ষণিক প্রভাব রপ্তানিতে সীমিত হলেও, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের প্রভাব অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।নতুন শুল্ক নীতির ফলে মার্কিন বাজারে ভারতের ৪৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রপ্তানি সরাসরি প্রভাবিত হবে। এর মধ্যে টেক্সটাইল, রত্ন ও গয়না, চিংড়ি, চামড়া ও জুতো, পশুসম্পদজাত পণ্য, রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক যন্ত্রপাতি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাসিক অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, ভারত এখন বৈচিত্র্যময় বাণিজ্য কৌশল গ্রহণ করেছে, যাতে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের (EFTA) সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, নিউজিল্যান্ড, চিলে ও পেরুর সঙ্গে চলমান আলোচনাও অন্তর্ভুক্ত।

তবে এগুলোর ফলাফল আসতে সময় লাগবে এবং মার্কিন শুল্কজনিত ক্ষতি পুরোপুরি সামাল দিতে পারবে না।অর্থনৈতিক প্রতিবেদন আরও জানিয়েছে, গত কয়েক বছরের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি, নীতি স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামোতে উচ্চ বিনিয়োগের কারণে ভারতের সার্বভৌম রেটিং S&P কর্তৃক ‘BBB-’ থেকে ‘BBB’ তে উন্নীত হয়েছে।

এটি দেশের দৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তি ও সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রমাণ।অভ্যন্তরীণ দিক থেকে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, মজুত শস্য, স্থিতিশীল তেলের দাম ও বৈশ্বিক পণ্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ খাদ্যশস্যের দামকে সহনশীল রাখতে পারে।সরকার ইতিমধ্যেই নেক্সট-জেনারেশন সংস্কারের জন্য একটি টাস্ক ফোর্স গঠনের ঘোষণা দিয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ সহজ করবে, কমপ্লায়েন্স খরচ কমাবে এবং স্টার্টআপ ও MSME খাতকে সহায়তা করবে।

শিগগিরই চালু হতে যাওয়া GST সংস্কার পরিবারগুলিকে সরাসরি স্বস্তি দেবে এবং ভোগ বাড়াবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

Related posts

Leave a Comment