31 C
Kolkata
March 11, 2026
বিদেশ

ট্রাম্প-এপস্টিন ব্যঙ্গাত্মক মূর্তি, ওয়াশিংটনে টাইটানিক প্রেমকাহিনি বিতর্ক

ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে একটি ব্যঙ্গাত্মক মূর্তি ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। সেই শিল্পকর্মে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিতর্কিত ব্যবসায়ী জেফ্রি এপস্টিনকে নিয়ে ‘টাইটানিক প্রেমকাহিনি’ উল্লেখ করা হয়েছে। মূর্তিটির লেখায় দাবি করা হয়েছে, দু’জনের সম্পর্ক নাকি ‘গোপন নগ্ন স্কেচের মাধ্যমে তৈরি হওয়া বন্ধনে’ গড়ে উঠেছিল। এই বক্তব্য নিয়েই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ওয়াশিংটনের একটি জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় শিল্পীর তৈরি ওই মূর্তিটি হঠাৎই নজর কাড়ে পথচারীদের। মূর্তিটির নীচে একটি ফলকে লেখা রয়েছে ব্যঙ্গাত্মক বার্তা, যেখানে ট্রাম্প ও এপস্টিনের সম্পর্ককে ‘টাইটানিক ধাঁচের প্রেমকাহিনি’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শিল্পকর্মটি যে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ হিসেবে তৈরি, তা অনেকেই মনে করছেন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছে অনুমতি ছাড়াই। ফলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘এটি কারা বসিয়েছে এবং কীভাবে এখানে স্থাপন করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ প্রয়োজনে মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে।

এই মূর্তি সামনে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ একে রাজনৈতিক ব্যঙ্গের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন এটি সীমা অতিক্রম করেছে। অনেকের মতে, মার্কিন রাজনীতিতে শিল্প ও ব্যঙ্গ দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিবাদের একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

জেফ্রি এপস্টিন বহু বছর ধরেই নানা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী বহু ব্যক্তির পরিচয় ছিল বলে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের নামও মাঝে মাঝে আলোচনায় উঠে এসেছে, যদিও এই বিষয়ে নানা বিতর্ক ও মতভেদ রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের শিল্পকর্ম সাধারণত জনমত তৈরি বা রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়। ওয়াশিংটনে এই মূর্তি ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা আবারও দেখাল যে শিল্প, ব্যঙ্গ এবং রাজনীতি— তিনটি বিষয় অনেক সময় একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে থাকে।

Related posts

Leave a Comment