বীরভূম জেলায় তুলে দেওয়া হল জেলা সভাপতি পদ। জেলার সার্বিক দায়িত্ব সামলাবেন মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি করা ৯ জনের কোর কমিটি। শুক্রবার দলের জেলা সভাপতি ও চেয়ারপার্সনদের যে তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল, তাতেই স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, জেলায় দলের সংগঠন দেখভাল করবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করে দেওয়া কোর কমিটিই।
আর বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি রইলেন না অনুব্রত মণ্ডল। শুধু তা-ই নয়, বীরভূম জেলায় জেলা সভাপতি পদই আর রাখল না শাসকদল। জেলা সভাপতির পদ তুলে দেওয়া হল। শুক্রবার দলের জেলা সভাপতি ও চেয়ারপার্সনদের যে তালিকা প্রকাশ করে দলের সংগঠন দেখভাল করবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করে দেওয়া কোর কমিটি।
এই কোর কমিটির চেয়ারপার্সন পদে রয়েছেন রামপুরহাটের বিধায়ক তথা রাজ্যের ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। গত দেড় মাস জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির কোনও বৈঠক হয়নি। সমান্তরালভাবে কেষ্ট তাঁর অনুগামীদের নিয়ে ব্লকে ব্লকে কর্মসূচি করে ২০২৬ সালের ভোটের প্রস্তুতি পর্ব সেরে রাখছেন। অনুব্রতের সেই কর্মসূচি থেকে সরিয়ে রাখছেন কোর কমিটির অন্যতম সদস্য তথা বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। সেই ঘটনা শাসকদলকে রীতিমতো চাপের মুখে ফেলছে। তার পরেই বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদই তুলে দিলেন শীর্ষ নেতৃত্ব। বীরভূম জেলার তৃণমূল কংগ্রেস দলটিকে পরিচালনা করবেন মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি করা কোর কমিটি।
প্রসঙ্গত রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতিটি জেলার সভাপতি এবং চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা হওয়ার পরেই রীতিমতো শোরগোল পড়েছে বীরভূম জেলায়। কারণ বীরভূম জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পদ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বীরভূম জেলা চালাবে কোর কমিটি। কোর কমিটির শেষ কথা বলবে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে। এমনটাই জানানো হয়েছে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। কোথাও কি তাহলে জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা? কারণ কাজল শেখ বারবার দাবি করেছিলেন যে বীরভূম জেলা কোর কমিটির দ্বারা পরিচালনা হবে আর এতেই সীলমোহর দিয়েছে রাজ্য তৃণমূল দপ্তর।
next post
