গত চার মাস ধরে রাজ্য রাজনীতি মূলত এসআইআর ইস্যুকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছিল। তবে শনিবার থেকে সেই রাজনীতি হঠাৎই মোড় নিয়েছে অন্য খাতে। এবার বিতর্কের কেন্দ্রে দেশের সাংবিধানিক প্রধান তথা রাষ্ট্রপতি Droupadi Murmu।
রাষ্ট্রপতির ‘অসম্মান’ ইস্যুতে Bharatiya Janata Party তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। পাল্টা All India Trinamool Congress অভিযোগ তুলেছে যে রাষ্ট্রপতিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বিজেপি।
এই বিতর্কে দুই দলই সামনে নিয়ে এসেছে তাদের আদিবাসী নেতৃত্বকে। তৃণমূলের হয়ে ময়দানে নেমেছেন Birbaha Hansda। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে সরব হয়েছেন মালদহ উত্তরের সাংসদ Khagen Murmu।
শনিবার এই বিতর্কে প্রথমে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রথম আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। এরপর তৃণমূলের হয়ে বক্তব্য রাখেন Abhishek Banerjee। বিজেপির পক্ষ থেকে পাল্টা জবাব দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah।
শনিবার রাত থেকেই বিজেপির একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং নেতা সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন Yogi Adityanath-ও।
রবিবার তৃণমূলের তরফে আরও কয়েকজন আদিবাসী নেতা যেমন প্রকাশ চিক বরাইক এবং বুলুচিক বরাইককে সামনে আনা হয়। অন্যদিকে বিজেপি ময়দানে নামিয়েছে খগেন মুর্মুর পাশাপাশি মহিলা নেত্রী Locket Chatterjee-কে।
এই টানাপোড়েনের ফলে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, রাজ্যের রাজনীতি এখন আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ককে ঘিরেই নতুন মোড় নিচ্ছে। বিজেপির দাবি, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে রাজ্য সরকারের আচরণ শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অপমান নয়, গোটা আদিবাসী সমাজের অপমান।
এই অভিযোগকে সামনে রেখে বিজেপির জনজাতি মোর্চাকেও পথে নামানো হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন আদিবাসী প্রধান এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে এবং রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। বিজেপির দাবি, জনজাতি সমাজের মানুষই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই প্রতিবাদে নেমেছেন।
পাল্টা তৃণমূল ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে এবং বিভিন্ন সভামঞ্চে পুরনো একটি ছবি দেখিয়ে দাবি করেছে, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেই। ওই ছবিতে দেখা যায়, রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে রয়েছেন এবং সামনে চেয়ারে বসে রয়েছেন মোদী। পাশাপাশি তৃণমূল নেতারা Ram Mandir উদ্বোধনে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ না জানানোর প্রসঙ্গও তুলে ধরছেন।
