মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এ নেপালকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে ইতিহাস গড়ল ইতালি। ম্যাচ শেষে স্ট্যান্ড-ইন অধিনায়ক হ্যারি মানেন্তি এই জয়কে “অসাধারণ” বলে উল্লেখ করে বলেন, বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে পেরেছে দল।১২৪ রানের লক্ষ্য ইতালি মাত্র ১২.৪ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়েই তুলে নেয়। জাস্টিন মোসকা ও অ্যান্থনি মোসকার অপরাজিত ১২৪ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ভর করে ইতালি আইসিসি পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয় পায়।ম্যাচের পর মানেন্তি বলেন, “এটা সত্যিই অসাধারণ। ইতালির বহু মানুষ এবং এই দলের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে এই মুহূর্তের স্বপ্ন দেখেছে।
বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন বিশেষ ছিল, কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ছিল এই স্তরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা। আগের ম্যাচে সেটা পুরোপুরি করতে পারিনি, কিন্তু আজ আমরা বিশ্বকে দেখালাম আমরা কী করতে পারি।”নিয়মিত অধিনায়ক ওয়েন ম্যাডসেনের চোট দলকে ধাক্কা দিলেও সতীর্থদের ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতার প্রশংসা করেন তিনি। “নেতাকে হারানো কঠিন ছিল। তবে আমরা দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছি। আমরা ভারতে বিশ্বকাপ খেলছি—এটা উপভোগ করার কথা কোচিং স্টাফ স্পষ্ট করেছে, আর আমরা সেটাই করেছি,” বলেন মানেন্তি।নেপালকে ১৯.৩ ওভারে ১২৩ রানে আটকে দিতে ইতালির স্পিনাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। মানেন্তি বলেন, “আজ উইকেট ভিন্ন ছিল। আমরা পুরো ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। আমাদের স্পিন আক্রমণ দুর্দান্ত।
বেন, জেজে-কে আগেও দেখেছি। ক্রিশান তরুণ লেগস্পিনার—আজ সে বিশ্বকাপে নিজের ছাপ রেখে গেল।”মোসকা ভাইদের প্রশংসায় ইতালি অধিনায়ক বলেন, “ওদের সঙ্গে অনেকদিন খেলছি। বিশ্বমঞ্চে ওদের এমন আধিপত্য দেখতে পারা বিশেষ মুহূর্ত। বিশ্ব হয়তো আগে জানত না, কিন্তু আজ বুঝেছে এই দলে কতটা গুণমান রয়েছে।”উল্লেখ্য, মোসকা ভাইদের ১২৪ রানের অপরাজিত জুটি টি-২০ বিশ্বকাপ ইতিহাসে দুই ভাইয়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ। এর আগে ২০১৪ সালে পাকিস্তানের কামরান ও উমর আকমলের ৯৬ রানের জুটি ছিল রেকর্ড।এবার ১৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামবে ইতালি। প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপেই সুপার ৮-এ ওঠাই লক্ষ্য মানেন্তির দলের।
