23 C
Kolkata
February 4, 2026
দেশ

মানহানির নোটিসের সময়সীমা শেষ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী

দিল্লি—পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পাঠানো মানহানির নোটিসের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।

কয়লা পাচার মামলায় নিজের ‘জড়িত থাকার’ অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর করা মন্তব্যের ভিত্তিতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।গত সপ্তাহে শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবীর মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে একটি মানহানির নোটিস পাঠানো হয়। ওই নোটিসে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগের পক্ষে সমস্ত প্রমাণ পেশ করার দাবি জানানো হয়েছিল। নোটিসে স্পষ্ট করে বলা হয়েছিল, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না মিললে দেওয়ানি ও ফৌজদারি—উভয় ধরনের মানহানির মামলা করা হবে।নোটিসের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বুধবার সকালে শুভেন্দু অধিকারী জানান, তিনি এখন আদালতে যাবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাপের মুখে রয়েছেন এবং সেই কারণেই তিনি নোটিসের কোনও জবাব দিতে পারেননি।

শুভেন্দুর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন।বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের মন্তব্য তাঁর মানহানি করেছে এবং আইনিভাবে তার জবাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আদালতেই এবার এই বিষয়ে নিষ্পত্তি হবে।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গে কয়লা পাচার মামলার অর্থ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্তর পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং সেই প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।

এদিকে কয়লা পাচার মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সমান্তরাল তল্লাশি অভিযান ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কলকাতার সল্টলেক এলাকায় ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটির (আই-প্যাক) দপ্তর এবং মধ্য কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে আই-প্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাসভবনে অভিযান চালায় ইডি। এই অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘সুবিধাভোগী’ এবং শুভেন্দু অধিকারীকে ‘মধ্যস্থতাকারী’ বলে মন্তব্য করেন।

Related posts

Leave a Comment