একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (Special Intensive Revision–SIR) সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানানো মামলাগুলিতে বৃহস্পতিবার রায় সংরক্ষণ করল সুপ্রিম কোর্ট।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ মামলার শুনানি শেষ করে জানায়, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দিষ্ট নির্দেশ মানতে হবে। আবেদনকারীদের দাবি, সংবিধানের ৩২৬ অনুচ্ছেদ, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ এবং সংশ্লিষ্ট বিধির সীমা অতিক্রম করেছে নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ। বিশেষ করে যেসব ভোটারের নাম ২০০২ (কিছু রাজ্যে ২০০৩) সালের ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের কাছে পূর্বপুরুষের নাগরিকত্ব প্রমাণ চাওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়ে।
শুরুতে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য ১১টি নথি নির্ধারণ করা হলেও পরে আধার কার্ড অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। গত বছর বিহারে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ, কেরল ও তামিলনাড়ু সহ একাধিক রাজ্যে তা সম্প্রসারিত হয়।
আদালত আগেই পশ্চিমবঙ্গে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ হিসেবে চিহ্নিত ভোটারদের ক্ষেত্রে হয়রানি এড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার একই ধরনের নির্দেশ তামিলনাড়ুর ক্ষেত্রেও জারি করে আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী, যাদের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলা হয়েছে তাঁদের নাম পঞ্চায়েত ভবন, তালুক অফিস ও ওয়ার্ড অফিসে প্রকাশ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্টরা ১০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। আদালত জানায়, যেসব রাজ্যে এখনও SIR প্রক্রিয়া চলছে সেখানে এই নির্দেশ কঠোরভাবে মানতে হবে।
