কলকাতা, ১৫ সেপ্টেম্বর: রাজ্যে বিশেষ শিক্ষার প্রয়োজন এমন শিশুদের জন্য শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি জারি করল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন (WBSSC)। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার আলাদা ভাবে ‘স্পেশ্যাল এডুকেশন টিচার’ নিয়োগ করা হবে সরকারি ও সরকারি-সহায়তাপ্রাপ্ত স্কুলে।
রাজ্যের স্কুলগুলিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগে উদ্যোগ নিল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন (WBSSC)। কমিশনের পক্ষ থেকে শনিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ও সরকার-সহায়তাপ্রাপ্ত স্কুলে ‘স্পেশ্যাল এডুকেশন টিচার’ নিয়োগ করা হবে শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে।
কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্পেশ্যাল এডুকেশন-এ বি.এড অথবা সমতুল্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীরাই আবেদন করতে পারবেন। এর পাশাপাশি প্রার্থীদের কোর্সটি অবশ্যই Rehabilitation Council of India (RCI) এবং জাতীয় শিক্ষক শিক্ষাক্রম (NCTE)-এর অনুমোদিত হতে হবে।
এই বিশেষ শিক্ষকদের নিয়োগ হবে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত, যেখানে প্রতিবন্ধকতা বা বিশেষ শিক্ষাগত চাহিদা সম্পন্ন ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা করে। কমিশনের মতে, “প্রতিটি শিশুর সমান শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।”
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া খুব শীঘ্রই শুরু হবে। কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে শূন্যপদের সঠিক সংখ্যা, আবেদন শুরুর ও শেষ হওয়ার তারিখ এবং বিস্তারিত নিয়মাবলি।
শিক্ষামহলের অভিমত, এই পদক্ষেপে দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ শিক্ষার ক্ষেত্রের শূন্যপদ পূরণ হবে এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
🔹 কারা আবেদন করতে পারবেন?
- যাঁদের স্পেশ্যাল এডুকেশন-এ বি.এড বা সমতুল্য প্রশিক্ষণ রয়েছে।
- জাতীয় শিক্ষক শিক্ষাক্রম (NCTE) এবং Rehabilitation Council of India (RCI) কর্তৃক অনুমোদিত কোর্সে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা।
- কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা আবশ্যক।
🔹 কোথায় নিয়োগ হবে?
প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে— বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি বিভাগে এই শিক্ষক নিয়োগ হবে।
🔹 কবে থেকে আবেদন?
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু হবে। কমিশনের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত যোগ্যতা, শূন্যপদ সংখ্যা এবং সময়সীমা জানিয়ে দেওয়া হবে।শিক্ষামহলের মত, এই সিদ্ধান্তে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে।
