রাজ্যের সরকার-সহায়তাপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে ২০১৬ সালে নেওয়া শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী নিয়োগের প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণভাবে “অসাধু ও অনিয়মে ভরা” বলে আখ্যা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এই নিয়োগ বাতিল করেছে। মোট ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক ও কর্মচারীর নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে। বেঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমার।
তারা মন্তব্য করেন— “এই ক্ষেত্রে সমগ্র নির্বাচনী প্রক্রিয়াই এতটাই কলুষিত যে, তা সংশোধনের আর কোনো সুযোগ নেই। বৃহৎ মাত্রায় কারচুপি ও জালিয়াতি, সঙ্গে তা ঢাকার চেষ্টা, প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও বৈধতাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে।”বেঞ্চ নতুন করে শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে ৪ এপ্রিল নির্ধারণ করে যে, রাজ্য সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে সুপারনিউমারারি পদ তৈরির সিদ্ধান্তে সিবিআই তদন্ত নিয়ে আলাদা শুনানি হবে।উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল ২০২৪-এ কলকাতা হাইকোর্ট এই নিয়োগ বাতিল করেছিল, কারণ তদন্তে দেখা যায় ওএমআর শিটে (OMR sheets) কারচুপি করা হয়েছে। রাজ্য সরকার এরপর হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় এবং দাবি করে যে, বৈধ নিয়োগগুলিকে অন্তত বাদ দেওয়া উচিত ছিল। তবে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়— সমগ্র প্রক্রিয়াই এতটাই কলুষিত যে আংশিকভাবে তা টিকিয়ে রাখারও সুযোগ নেই।
