বলিউড অভিনেতা সালমান খানের আসন্ন ছবি ব্যাটল অফ গালওয়ান-কে কেন্দ্র করে চীনা গণমাধ্যম ও নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্ক ছড়িয়েছে। ছবি নিয়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সম্প্রতি যে আলোচনা এসেছে, তাতে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “ভাগ-ভাগ সময় ভারত ও চীনের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে, এমন সময়ে এইরকম কঠোর যুদ্ধভিত্তিক থিম দেওয়া অযৌক্তিক।” চীনা অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে এই ছবি নিয়ে দেখা যাচ্ছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া, যেখানে কিছু ব্যবহারকারী বলেছেন এটি “যুদ্ধ উত্তেজিতকারী” ও “রাজনৈতিক সংবেদনশীল সময়ের জন্য অনুপযুক্ত।
”চীনের কিছু সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ব্যাটল অফ গালওয়ান সিনেমাটি ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে, যেখানে ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত বিরোধের সময় দুদিকের সেনাসদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। সিনেমা সম্পর্কে চীন ভিত্তিতে বলা হতে এটি “চিত্রায়িত ইতিহাসের পক্ষপাতিত্ব” সৃষ্টি করতে পারে এবং পরিস্থিতিকে আরও টানটান করে তুলতে পারে। তাছাড়া, সম্পর্ক উন্নয়নের সময় এমন সেন্সিটিভ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিনোদনের কাজ করা অনেকে “দেশীয় রাজনীতির উদ্দেশ্যে” বলে মন্তব্য করেছেন।ভারতীয় অনুরাগীরা এই ছবিকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং লং-টার্ম সম্পর্কের চেয়েও ‘দেশপ্রেম ও সাহসিকতার গল্প’ হিসেবে এটিকে দেখছেন।
ছবির নির্মাতারা এই দাবিকে জোর দিয়েছেন যে সিনেমাটি উৎস solely একটি বিনোদনের মাধ্যম এবং ইতিহাসের একটি অংশ তুলে ধরতে নির্মিত হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি করাই নয়।বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাটল অফ গালওয়ান-এর মতো ছবির মুক্তি ও প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিবেশের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে যখন ভারত ও চীন নেতৃস্থানীয় অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে।
