24 C
Kolkata
March 22, 2026
রাজ্য

আসন্ন নির্বাচনে সরকার বিরোধী মত প্রকাশ করছেন ক্ষুব্ধ স্যাক্টরা

নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গেলেও রাজ্যের কলেজগুলিতে কর্মরত স্যাক্টদের জন্য কিছু ঘোষণা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের স্যাক্টরা।

২০১৯ সালের শেষের দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হাওড়া প্রশাসনিক বৈঠকে ঘোষণার মাধ্যমে কলেজের অস্থায়ী( PTT,CWTT,GL) শিক্ষকদের এক ছাতার তলায় এনে SACT পরিচিতি দিয়েছিলেন। যা কার্যকর হয়েছিল ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে। অথচ প্রায় ৬ বছর অতিক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের জন্য আজও পূর্ণাঙ্গ কোনও অর্ডার বেরোয়নি। নানা অসঙ্গতিপূর্ণ একটি (2081-Edn(cs)/10M-83/2019) মেমোরেণ্ডাম দিয়েই কাজ চলছে। সামগ্রিক প্রাপ্তির থেকে অপ্রাপ্তিই বেশি।

স্টেট এডেড কলেজ টিচার অ্যাসোসিয়েশন (SACTA)-এর রাজ্য কমিটির সদস্য-সদস্যারা সম্মিলিত ক্ষোভ উগরে জানালেন, একমাত্র আমাদের সংগঠন সরকার বিরোধী আন্দোলনে সামিল হয়নি। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী ছিলাম। তাঁদের জন্য ভালো অর্ডার রেডি, বেরিয়ে যাবে এমন মৌখিক আশ্বাস মিলেছিল বিকাশভবনের আধিকারিকদের কাছ থেকে। কিন্তু বাস্তবে কিছু না মেলায় সরকারের সিদ্ধান্তে ধিক্কার জানিয়েছেন রাজ্য নেতৃত্ব।

রাজ্যের উচ্চশিক্ষায় যাঁরা জীবনপাত করলো, নিজেদের উজাড় করে দিল, তারাই রয়ে গিয়েছে উপেক্ষিত ও বঞ্চিত। ক্ষুব্ধ এই শ্রেণীর শিক্ষকরা।স্যাক্টের রাজ্য সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ দাস বলেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আমাদের নানা অসঙ্গতি বিষয়ে এবং ন্যায্য পাওনার দাবিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করে চলেছি সংগঠনগতভাবে। সত্যি হলো এটাই, আজ পর্যন্ত সমস্যার সুরাহা মিললো না। সরকারের এমন কাজে নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। সরকারের পক্ষে থাকার এমন হতাশাময় এবং প্রতারণার পুরষ্কার মিলবে তা ভাবতে কষ্ট হচ্ছে।

স্যাক্টের রাজ্য সভাপতি অরুণ কুমার পাল জানান, মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে একাধিকবার আবেদন জানিয়েও শেষ পর্যন্ত সদর্থক সাড়া না মেলায় আমরা হতবাক। নজিরবিহীন ঘটনার শিকার আমরা। অরুণ বাবু ক্ষোভের সঙ্গে জানিয়েছেন, স্যাক্টদের ধৈর্য্য চ্যুতির আভাস মিলছে। সেজন্য নির্বাচন পর্ব মিটতেই তাঁরা আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁরা এই নির্বাচনে সরকার বিরোধী মত প্রকাশে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ স্যাক্টরা।

Related posts

Leave a Comment