সাবরীমালা শ্রী অয়্যাপ্পা মন্দিরের বিভিন্ন পবিত্র নিদর্শনের উপর থাকা তামার আবরণের স্বর্ণ স্তর নিয়ে করা গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ রিপোর্ট শুক্রবার কোল্লাম ভিজিল্যান্স আদালতে সিল করা খামে জমা দেওয়া হয়েছে। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC)-এ এই পরীক্ষা চালানো হয়। দ্বারপালক মূর্তি, দরজার ফ্রেমসহ মোট ১৫টি নমুনার পরীক্ষার ফল আদালতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই রিপোর্ট থেকে জানা যাবে, সাবরীমালার দ্বারপালক মূর্তি ও দরজার ফ্রেমে থাকা পুরনো স্বর্ণ স্তর লোপাট করা হয়েছিল কি না, নাকি নতুন স্তরের উপর স্বর্ণ প্রলেপ দেওয়া হয়েছে।
কতটা স্বর্ণ ক্ষয় বা চুরি হয়েছে এবং আদৌ স্তর পরিবর্তন করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা মিলবে।রিপোর্টটি পরবর্তী তদন্তের জন্য কেরল হাই কোর্ট নিযুক্ত বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে মূল অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণন পট্টির তত্ত্বাবধানে মন্দিরের কিছু নিদর্শন সংস্কারের জন্য নেওয়ার পর স্বর্ণ স্তর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই প্রেক্ষিতেই কেরল হাই কোর্ট গত নভেম্বর মাসে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছিল।এদিকে, ইউডিএফ মনোনীত ট্রাভাঙ্কোর দেবস্বম বোর্ডও চাপে পড়েছে। ২০১২ সালের বোর্ডের এক নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও পবিত্র বস্তু প্রতিস্থাপন করা হলে পুরনো বস্তু জনসম্পত্তি হিসেবে সংরক্ষণ করার কথা।
কিন্তু ওই নির্দেশ কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ‘বাজি বাহনম’ থানত্রি রাজীভারুর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তৎকালীন বোর্ড সভাপতি প্রয়ার গোপালকৃষ্ণন ও সদস্য অজয় থারাইল বাজি বাহনম থানত্রি কান্তারারু রাজীভারুর হাতে তুলে দিচ্ছেন। SIT চেঙ্গান্নুরে থানত্রির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ওই বাজি বাহনম উদ্ধার করে এবং পরে কোল্লাম ভিজিল্যান্স আদালতে জমা দেয়। বহু প্রাচীন এই মূর্তিটি ১১ কেজি পঞ্চলোহা দিয়ে তৈরি এবং তার উপর স্বর্ণ আবরণ রয়েছে।
previous post
