নিজস্ব প্রতিনিধি, জম্মু — সীমান্ত এলাকার গ্রামগুলিকে দেশের ‘প্রথম সুরক্ষা রেখা’ বলে উল্লেখ করলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। বুধবার মাকওয়াল সীমান্ত গ্রামে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, এই এলাকার বাসিন্দারাই দেশের প্রকৃত প্রতিনিধি। তবে এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উঠছে প্রশ্ন—উন্নয়নের বাস্তব চিত্র কতটা বদলেছে?
সীমান্ত গ্রামগুলির উন্নয়নকে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনও পরিবার যাতে সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। যেখানে সরকারি প্রকল্পে ঘাটতি রয়েছে, সেখানে দ্রুত সমাধান করতে হবে বলেও নির্দেশ দেন তিনি।
মনোজ সিনহার বক্তব্য, সীমান্ত গ্রাম দেশের শেষ নয়, বরং প্রথম গ্রাম। এই এলাকাগুলিতে বসবাস করা এবং দেশের সুরক্ষায় অবদান রাখা এক বিশেষ সাহসের পরিচয়। তবে বিরোধীদের দাবি, এই বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির ফারাক রয়েছে।
তাঁর কথায়, জম্মু জেলার ৫৪১টি সীমান্ত গ্রামকে সমানভাবে উন্নত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি গ্রামে উন্নয়নের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে আলাদা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক নিয়োগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
রাস্তা, স্কুল এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন তিনি। যুবকদের যাতে শহরমুখী হতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই গ্রামগুলিকে ‘মডেল গ্রাম’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
তবে তৃণমূলের একাংশের মতে, শুধু ঘোষণা নয়, বাস্তবে উন্নয়ন পৌঁছচ্ছে কি না সেটাই বড় প্রশ্ন। সীমান্ত অঞ্চলে এখনও বহু জায়গায় মৌলিক পরিকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ।
