কেরল বিধানসভা নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ভোটার উপস্থিতি দেখা গেল, যা গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যে মোট ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে ৭৭.৬২ শতাংশ, যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৭৫.০১ শতাংশ। তবে সন্ধ্যা ৭টার পরেও বহু ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা যাওয়ায় চূড়ান্ত ভোটদানের হার ৮০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
জেলা ভিত্তিক হিসেবে Ernakulam-এ সর্বোচ্চ ৭৯.৩৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। সকাল থেকেই শহর ও গ্রাম—সব জায়গাতেই ভোটকেন্দ্রে ছিল উপচে পড়া ভিড়।
উচ্চ ভোটদানের হারকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চাপানউতোর। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক M.V. Govindan দাবি করেছেন, এই ভোটের হার এলডিএফ-এর পক্ষে যাবে।
অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা A.K. Antony বলেছেন, দিনের শেষে বর্তমান সরকারের “অস্ত” ঘটবে এবং ইউডিএফ ঐতিহাসিক জয় পাবে।
প্রাক্তন কেপিসিসি সভাপতি K. Sudhakaran দাবি করেছেন, ইউডিএফ ১০০টি আসন পর্যন্ত পেতে পারে এবং সরকার গঠন নিশ্চিত।
এদিকে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ও উচ্চ ভোটদানে আশাবাদী। রাজ্য সভাপতি Rajeev Chandrasekhar জানিয়েছেন, ফল ঘোষণার দিনে বড় চমক দেখা যেতে পারে এবং ঝুলন্ত বিধানসভা হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
তবে ভোট চলাকালীন কিছু জায়গা থেকে ভুয়ো ভোটের অভিযোগও উঠেছে। Manjeswaram, Palakkad, Shoranur-সহ একাধিক এলাকায় এই অভিযোগ সামনে এসেছে।
অন্যদিকে, একটি দুঃখজনক ঘটনায় Thrissur-এর ভানিয়ামপাড়ায় ভোট দিয়ে ফেরার পর ৬৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
