নয়াদিল্লি—কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া ও উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের সঙ্গে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বৈঠক ঘিরে ফের উসকে উঠল রাজ্যের নেতৃত্ব বদল নিয়ে জল্পনা। মাইসুরুতে হওয়া এই বৈঠকের পর কর্নাটকে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার টানাপোড়েন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সূত্রের খবর, বৈঠকে বিশেষ করে সিদ্ধারামাইয়া রাহুল গান্ধীর কাছে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী পদে ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করার আবেদন জানান। ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে।
বৈঠকের পরে কংগ্রেস বিধায়ক অশোক পট্টন দাবি করেন, রাহুল গান্ধী সিদ্ধারামাইয়া ও শিবকুমার—দু’জনকেই দিল্লিতে ডেকেছেন। তবে কবে এই সাক্ষাৎ হবে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।
যদিও ডি কে শিবকুমার এই দাবি খারিজ করে বলেন, রাহুল গান্ধীর তরফে এমন কোনও বার্তা পাওয়া যায়নি। বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তার সব কিছু প্রকাশ করা যায় না এবং সংবাদমাধ্যম অযথা জল্পনা তৈরি করছে। তাঁর কথায়, রাহুল গান্ধী শুধু ভালো কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এবং এমএনরেগা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে কংগ্রেস কর্নাটকে ক্ষমতায় ফেরার পর মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে সিদ্ধারামাইয়া ও শিবকুমারের মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল। তখনই ২.৫ বছর পর নেতৃত্ব বদলের একটি সমঝোতার কথা শোনা গেলেও দল বা দুই নেতা কেউই তা প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি।
ইতিমধ্যে সিদ্ধারামাইয়ার আড়াই বছর পূর্ণ হওয়ায় নেতৃত্ব বদলের জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি পূর্ণ পাঁচ বছরের মেয়াদই সম্পূর্ণ করবেন।
