20 C
Kolkata
March 22, 2026
SPORTS

ভারতকে হারানো কঠিন, বিশেষ করে ঘরের মাঠে: দীনেশ কার্তিক

প্রাক্তন ভারতীয় উইকেটকিপার দীনেশ কার্তিকের মতে, আইসিসি মেনস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আগে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত এখনও অন্যতম শক্তিশালী দল। দলের গভীরতা, আক্রমণাত্মক মানসিকতা এবং ঘরের মাঠে দুর্দান্ত রেকর্ডই ভারতকে ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষ করে তুলেছে বলে মনে করেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আর এক মাসও বাকি নেই। এই পরিস্থিতিতে কার্তিক নাসের হুসেন ও ইয়ান বিশপের সঙ্গে ভারতের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা এই টুর্নামেন্ট যৌথভাবে আয়োজিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়।কার্তিক জিওস্টারকে বলেন, “বিশ্বের যে কোনও জায়গায় ভারতকে হারানো কঠিন। কিন্তু নিজেদের মাঠে ভারত সত্যিই অসাধারণ ক্রিকেট খেলে।”তিনি আরও বলেন, “ভারতীয় ক্রিকেটের গভীরতা সকলেরই জানা। এমনকি দু’টি আলাদা দল নামালেও তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে। দলটি এখন বেশ তরুণ। রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির মতো অভিজ্ঞরা নেই। সূর্যকুমার যাদব নতুন অধিনায়ক।

এই তরুণ দল খুব আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলছে।”প্রাক্তন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটার ইয়ান বিশপ বলেন, অতীত সব সময় নির্ধারক না হলেও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভারতের প্রস্তুতি তাদের এগিয়ে রাখছে।তিনি বলেন, “ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেটাই শেষ কথা নয়। ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, কিন্তু ২০২১-এ খুব একটা ভালো করতে পারেনি। তবে ভারত বিশ্বকাপগুলোর মাঝের সময়টায় নিজেদের ভালোভাবে গড়ে তুলেছে।”বিশপ টুর্নামেন্ট চলাকালীন শিশিরকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেও উল্লেখ করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১৬ সালের ওয়াংখেড়ের সেমিফাইনালে শিশির বড় ভূমিকা নিয়েছিল।

প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসের হুসেন বলেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয়তাই এই ফরম্যাটকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। “বিশেষ করে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মানেই বিশাল মঞ্চ। এখানে ভালো খেললে গোটা বিশ্বের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নজর পড়ে,” বলেন তিনি।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে পাকিস্তান, ইউএসএ, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়ার সঙ্গে। ভারত ৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে ইউএসএর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করবে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহারণ অনুষ্ঠিত হবে।

Related posts

Leave a Comment