আবারও পিছিয়ে গেল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে মঙ্গলবার নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা প্রথমে পিছিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি করা হয়। এবার সেই সময়সীমাও বাড়ানো হল।
গত ২৮ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন কর্মসূচি ঘোষণা করে কমিশন। ৪ নভেম্বর থেকে বুথ লেভেল অফিসাররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনিউমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেন।
এর মধ্যেই ৩০ নভেম্বর নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানায়, ৯ ডিসেম্বরের বদলে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৬ ডিসেম্বর। পাশাপাশি জানানো হয়, ৭ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন ধার্য করা হচ্ছে ১৪ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সময়সূচিও বদলাতে হল।
এসআইআর পর্বে কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়ে একাধিক অভিযোগও উঠেছে। হিয়ারিংয়ের নামে সাধারণ মানুষকে ডেকে হয়রানি করা, ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র অজুহাতে যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা—এমন অভিযোগে সরব হয়েছে অসাধারণ মানুষ থেকে বহু রাজনৈতিক দল। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
সোমবারই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে ২১ ফেব্রুয়ারির আগে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ সম্ভব নয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় লাগবে।
মঙ্গলবার দিল্লির নির্বাচন সদন থেকে জানানো হয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিয়ারিং পর্ব চলবে। তার পর ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্ক্রুটিনি করা হবে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেই ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। বারবার দিন পিছোনোয় স্বাভাবিকভাবেই ভোটারদের একাংশের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা।
