24 C
Kolkata
March 21, 2026
Uncategorized

আই-প্যাক অভিযানে বাধা ও হস্তক্ষেপের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে ইডি

আই-প্যাকের দপ্তর ও সংস্থার ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে অভিযানের সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ ও বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে শনিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা শীর্ষ আদালতে একটি আবেদন দায়ের করে এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ চেয়েছে।

ইডির দাবি, অভিযানের সময় প্রভাব খাটিয়ে তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানো হয়েছে। এদিকে, এই মামলায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারও সুপ্রিম কোর্টে একটি ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে। রাজ্য সরকারের আবেদন, ইডি-র অভিযানের বিষয়ে তাদের বক্তব্য না শুনে যেন কোনও নির্দেশ না দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরে কলকাতায় আই-প্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাসভবনে অভিযান চালায় ইডি। অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিছু নথি সরিয়ে নেন বলে অভিযোগ ওঠে। মমতার দাবি, ওই নথিগুলি তাঁর দলের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল, তবে ইডির বক্তব্য, তিনি জোরপূর্বক প্রমাণ সরিয়েছেন।


ঘটনার পর ইডি ও আই-প্যাক প্রধান প্রতীক জৈন আলাদাভাবে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। পরে লাউডন স্ট্রিটে জৈনের বাড়ি ও সল্টলেকে আই-প্যাকের অফিসে ইডি অভিযানের ঘটনায় দুটি এফআইআর দায়ের হয়। শনিবার কলকাতা পুলিশ প্রতীক জৈনের বাড়িতে গিয়ে অভিযানের সময় উপস্থিত ইডি ও সিআরপিএফ কর্মীদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এবং পরিবারের সদস্যদের বয়ান রেকর্ড করে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের কয়লা পাচার মামলার তদন্তে এই অভিযান চালানো হয়েছিল। ইডির দাবি, অনুপ মাঝির কয়লা পাচার চক্রের সঙ্গে রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাকের হাওলা লেনদেনের যোগসূত্র রয়েছে।

Related posts

Leave a Comment