সুমন কুমার রায়ের প্রতিবেদন, ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫
তুলসীপূজন উৎসবকে ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দিতে সারাবছর ধরে সাংগঠনিক প্রয়াস চালায় ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’। তুলসীর বীজ সংগ্রহ, চারা তৈরি, চারা বিতরণ, তুলসীর রোগ-পোকার সমস্যা ও সমাধান বিষয়ে পরামর্শ, মঠ-মন্দিরের সঙ্গে সেই সূত্রে সম্পর্ক-স্থাপন, আলোচনা সভার আয়োজন, গ্রন্থ-বার্তা ও বিপণন, তুলসী বিষয় প্রবন্ধ-নিবন্ধ প্রকাশ, তুলসীপূজন প্রভৃতি। মনে রাখতে হবে, ২৫ শে ডিসেম্বর দিনটিতে তুলসীপূজন করা হলেও, এই সময়টি কিন্তু তুলসীর চারা রোপণের আদর্শ সময় নয়।
চারাগাছ পর্যাপ্ত তৈরি না হলে, তা পড়শীর মধ্যে বিতরণ করা না হলে, বহু মানুষের কাছে তুলসীগাছ পৌঁছাবে কীভাবে! তাই দেশের মাটি এ ব্যাপারে সারা বছর প্রচেষ্টা চালায়। সারাবছর বহু কর্মসূচী গ্রহণ করেছে এই সংগঠন। নানান মানুষ ও সংগঠনের কাছে বার্তা বহন করে ‘তুলসী’ নামক একটি অতুল্য গাছের ব্যবহার ও মাহাত্ম্য বিষয়ে। দেশের মাটি কল্যাণ মন্দিরের সকল সচেতন সদস্য এ ব্যাপারে নিজ নিজ এলাকায় সারাবছর ধরে সক্রিয়। ২০২৫ সালে এত যে মানুষ, এত যে সংগঠন ‘তুলসীপূজন’-এ সামিল হয়েছে, প্রচার পেয়েছে, তার একটি বড় উদ্যম ‘দেশের মাটি’-র কার্যকর্তাদের নিরলস প্রয়াস।
বিগত এক দশক ধরে এই কাজটি তারা করে এলেও গত চার বছর ‘দেশের মাটি’-র অবদান অনস্বীকার্য। নেট দুনিয়ায় সাংগঠনিক প্রয়াস হিসাবে দেশের মাটির তুলসীপূজন ও তুলসী মাহাত্ম্য সবচেয়ে বেশি ডকুমেন্ট হয়ে রয়ে গিয়েছে। Search: দেশের মাটি তুলসীপূজন।
