নয়াদিল্লিতে যমুনা তীরবর্তী বানসেরায় শনিবার ‘ডিডিএ গ্রিন এক্সপো ২০২৬’ এবং পলাশ মহোৎসব ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ও ডিডিএ চেয়ারম্যান ভি.কে. সাক্সেনা। পরিবেশের প্রতি প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাত্র তিন বছর আগে যে স্থানটি দূষিত ও অবহেলিত ছিল, আজ সেটিই টেকসই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মঞ্চে পরিণত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বানসেরাকে অবক্ষয়িত জমি পুনরুদ্ধার ও সবুজায়নের উজ্জ্বল উদাহরণ বলে উল্লেখ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, এই এক্সপো দিল্লির পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত সমাধান দেবে।
পলাশ উৎসব শীত থেকে বসন্তে উত্তরণের প্রতীক, যা নতুনত্ব, রঙ ও মিলনের বার্তা বহন করে। ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো চারটি স্থানে একযোগে এই উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে—বানসেরা (বিরসা মুন্ডা চৌক), অশোক বিহারের অশোকা গার্ডেন, যশোলার লালা হরদয়াল পার্ক এবং নরেলার স্মৃতি বন। প্রতিটি স্থানে প্রকৃতি, টেকসই উন্নয়ন ও কমিউনিটি জীবনের পৃথক থিম তুলে ধরা হয়েছে। ডিডিএ জানায়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, লোগো উন্মোচন ও প্রদর্শনী পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনেই দিল্লির জলবায়ু-সহনশীল ভবিষ্যতের বার্তা স্পষ্ট হয়েছে। বিভিন্ন ভেন্যুতে থিমভিত্তিক ফুলের প্রদর্শনী, সজ্জিত উদ্যান, ল্যান্ডস্কেপ ইনস্টলেশন ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম আয়োজন করা হয়েছে।
দর্শনার্থীরা অলঙ্করণমূলক ও দেশীয় প্রজাতির গাছপালার প্রদর্শনী উপভোগ করছেন। পাশাপাশি কারুশিল্পের স্টল, ফুড কোর্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কর্মশালা উৎসবকে পরিবার ও সব বয়সের মানুষের জন্য আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে পরিবেশ সচেতনতা ও জনঅংশগ্রহণে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জল সংবেদনশীলতা ও নগর সবুজ রক্ষায় সম্মিলিত দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতেই এই আয়োজন বলে জানিয়েছে ডিডিএ।
