আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজধানী ঢাকার প্রায় ১,৪০০টি ভোটকেন্দ্রকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা, স্থানীয় পরিস্থিতি, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আইনশৃঙ্খলার মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এই কেন্দ্রগুলিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন, নজরদারি বৃদ্ধি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী প্রস্তুত রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি থাকবে। প্রয়োজন হলে মোবাইল টহল ও কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।
রাজনৈতিক মহলেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলির একাংশ দাবি করেছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে আরও স্বচ্ছ ভূমিকা নিতে হবে। অন্যদিকে, সরকারের দাবি— ভোটারদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই একমাত্র লক্ষ্য।
নির্বাচন কমিশন আশা করছে, বাড়তি সতর্কতা ও সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজধানীতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
