গরবা উৎসবের ধর্মীয় মর্যাদা বজায় রাখতে পোশাকবিধি চালু করার দাবি উঠল। উৎসবে পিঠখোলা ও হাতাকাটা পোশাক নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি নিয়ম ভাঙলে কঠোর পদক্ষেপ করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে গরবার আসরকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরির মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।
বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, ফ্যাশন ও সৌন্দর্যের নামে কিছু তরুণী এমন পোশাক পরছেন, যা বক্তার মতে উৎসবের ধর্মীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পাশাপাশি গরবার রাতকে টিন্ডার ও বাম্বলের মতো পরিচয় ও সম্পর্ক তৈরির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
এ ছাড়া, পবিত্র উৎসবকে কেন্দ্র করে শুধু ছবি ও ছোট ভিডিও তৈরি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন এবং অনুসারীর সংখ্যা বাড়ানোর প্রবণতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বক্তব্যদাতার দাবি, গরবা ভক্তি ও ঐতিহ্যের উৎসব; তাই এর ধর্মীয় আবহ ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য বজায় রাখতে আয়োজকদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
তবে পিঠখোলা বা হাতাকাটা পোশাক নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সরকারের কোনও নতুন নির্দেশ জারি হয়েছে কি না, তা এই বক্তব্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। পোশাক নিয়ে ব্যক্তিগত মতামত এবং সরকারি বিধিনিষেধ—দু’টিকে আলাদা করে দেখা জরুরি।
previous post
