দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৫টি বুথে পুনর্ভোটকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের লড়াই আরও তীব্র আকার নিল। Election Commission of India-এর নির্দেশে মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে ফের ভোটগ্রহণ চলছে, ইভিএম সংক্রান্ত অভিযোগের জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটের হার ছিল প্রায় ৫৫ শতাংশের বেশি।
এই পুনর্ভোটের পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক তরজাও চরমে উঠেছে। Mamata Banerjee ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। ভবানীপুরের স্ট্রংরুমে গিয়ে তিনি দাবি করেন, একাধিক জায়গা থেকে অনিয়মের খবর এসেছে এবং ভোট বা গণনায় কারচুপি হলে তৃণমূল সর্বশক্তি দিয়ে লড়বে।
অন্যদিকে Bharatiya Janata Party এই অভিযোগকে “হারের আগাম অজুহাত” বলে কটাক্ষ করেছে। দলের রাজ্য নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূল ইতিমধ্যেই পরাজয় বুঝতে পেরে ইভিএম ও নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করার চেষ্টা করছে।
তবে All India Trinamool Congress-এর বক্তব্য, তারা কোনও অজুহাত তৈরি করছে না, বরং ভোটের ফল ‘চুরি’ রুখতেই সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে। দলের নেতারা নির্বাচন কমিশনের কিছু প্রক্রিয়াগত ত্রুটির অভিযোগ তুলে স্বচ্ছতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
পুনর্ভোটের সিদ্ধান্ত দুই পক্ষকেই নতুন করে রাজনৈতিক অস্ত্র দিয়েছে। বিজেপি বলছে, এতে তাদের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত, অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, পরিকল্পিতভাবে গোলমাল তৈরি করে এই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে।
৪ মে গণনা ঘিরে এখন মূল লড়াই শুধু ভোটে নয়, জনমতেও। ইভিএম বিতর্ক এবং স্ট্রংরুম রাজনীতি—দুইই এখন নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে।
