ভারত ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে, আর সেই যাত্রায় Nalanda University-র মতো প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে—এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রপতি Droupadi Murmu।
বিহারের রাজগিরে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠান শুধু ডিগ্রি প্রদান নয়, বরং জ্ঞান, সংলাপ ও মানবকল্যাণের এক চিরন্তন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
নালন্দার ঐতিহ্য ও গুরুত্ব
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রাচীন নালন্দা প্রায় ৮০০ বছর ধরে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাকেন্দ্র ছিল। এর পতন শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই বিরাট ক্ষতি ছিল। তবে তার আদর্শ কখনও হারিয়ে যায়নি।
বর্তমান সময়ে নালন্দার পুনর্জাগরণ সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক প্রেক্ষাপটে ফিরিয়ে আনার এক বড় পদক্ষেপ।
আন্তর্জাতিক শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে নালন্দা
তিনি জানান, এ বছরের স্নাতকদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি বিদেশি ছাত্রছাত্রী, যারা ৩০টিরও বেশি দেশ থেকে এসেছে। এটি নালন্দার আন্তর্জাতিক গুরুত্বকেই তুলে ধরে।
জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবকল্যাণ
রাষ্ট্রপতির মতে, প্রাচীন নালন্দায় শিক্ষা কখনও একা ছিল না—তা সবসময় নৈতিকতা, সমাজ ও মানবকল্যাণের সঙ্গে যুক্ত ছিল। আজকের জটিল বিশ্বেও এই চিন্তাধারা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
বৌদ্ধ শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে সম্ভাবনা
ভারতের সঙ্গে বৌদ্ধ দর্শনের গভীর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নালন্দা আবারও বিশ্বমানের বৌদ্ধ শিক্ষা কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
ভবিষ্যতের লক্ষ্য
রাষ্ট্রপতি মুর্মু আশাবাদী, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একাডেমিক উৎকর্ষ নয়, মূল্যবোধের দিক থেকেও নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলবে এবং বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠবে।
